রাত ১০:১২ ; বৃহস্পতিবার ;  ২০ জুন, ২০১৯  

যিনি স্কুলশিক্ষক, তিনিই প্রভাষক!

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

নীলফামারী প্রতিনিধি

নীলফামারীতে সবুজা আক্তার হাসি নামে এক নারীর বিরুদ্ধে  একই সঙ্গে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ও কলেজে প্রভাষক পদে চাকরি করার অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার এ ঘটনা ফাঁস হলে এ নিয়ে নীলফামারীতে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

এলাকাবাসীর লিখিত অভিযোগে জানা যায়, সবুজা আক্তার ২০০৬ সাল থেকে উপজেলার মৌলভীরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষিকা পদে চাকরি করে আসছেন। এ অবস্থায় ২০১৪ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে কিশোরীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজে ইংরেজি বিভাগে প্রভাষক পদে যোগদান করেন তিনি। নিয়ম অনুযায়ী যে কোনও একটি প্রতিষ্ঠান থেকে অব্যাহতি নেওয়ার কথা তার। কিন্তু তথ্য গোপন রেখে এখনও তিনি দু’টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে চাকরি চালিয়ে যাওয়ার নামে বেতন উত্তোলন করছেন।

অভিযোগ পাওয়া গেছে, কলেজের প্রভাষক পদে চাকরি পাওয়ার পর সবুজা আক্তার স্থানীয় এক প্রভাবশালী নেতার জোরে দুটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে বেতনভাতা উত্তোলন করছেন।

অভিযোগে আরও জানা গেছে, কলেজে চাকরি পাওয়ার পর সবুজা আক্তার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনুপস্থিত থাকলেও তাকে উপস্থিত দেখিয়ে বেতনভাতা প্রদান করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে মৌলভীরহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল্লাহ আল কাফী জানান,  তার স্কুলের সহকারী শিক্ষিকা সবুজা আকতার হাসি কলেজে যোগদানের পর থেকে স্কুলে নিয়মিত আসেন না। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।

 

এদিকে, কিশোরীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ আব্দুর রউফ জানান, নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী নিয়োগ পরীক্ষায় তিনি প্রথম হওয়ায় তাকে নিয়োগ প্রদান করা হয়। তিনি নিয়োগের পর থেকে কলেজে  নিয়মিত পাঠদান করে আসছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মাসুদুল হাসান বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তবে, বিষয়টি নিয়ে মুঠোফোনে সবুজা আক্তারের সঙ্গে কথা বললে এ বিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।

/আরএ/টিএন/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।