রাত ১১:০০ ; শনিবার ;  ২০ এপ্রিল, ২০১৯  

বাড়ছে ডেঙ্গু

প্রকাশিত:

আবিদ আজাদ।।

দেশে বছরের প্রথম নয় মাসে ডেঙ্গুর চিকিৎসা নিয়েছেন দুই হাজারেরও বেশি মানুষ। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্র জানায়, সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে পাঁচ শতাধিক মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

সূত্র আরও জানায় এ বছর ডেঙ্গুর প্রকোপ অন্য যে কোনও বছরের চেয়ে বেশি। এই জ্বরের নির্দিষ্ট কোনও প্রতিষেধক বা ওষুধ নেই।

ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ডায়রিয়া রিসার্চ বাংলাদেশ (আইসিডিডিআরবি) সূত্র জানায়, বাংলাদেশে প্রতি পাঁচ বছরে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব দেখা যায়, তবে এর কারণ সম্পর্কে ওই গবেষণায় জানা যায়নি।

স্বাস্থ্যবিভাগ জানায় ২০১৫ সালের অক্টোবর মাসে সারাদেশে ডেঙ্গু আক্রান্ত দুই হাজার মানুষের মধ্যে চার জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

অতিবৃষ্টিতে এডিস মশার বংশবিস্তারের গতি বেড়ে যাওয়ায় এ রোগের প্রকোপ বাড়ছে বলে মনে করা হচ্ছে। ডিরেকটোরেট জেনারেল অব হেলথ সার্ভিসের ন্যাশনাল ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট সেন্টার ও কন্ট্রোল রুম সূত্র জানায়, জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি মাসে ডেঙ্গুরোগী পাওয়া না গেলেও মার্চ এপ্রিল থেকে ডেঙ্গুর বিস্তার শুরু হয়।

গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ওয়ানডে অধিনায়ক মাশরাফি বিন মুর্তজা ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। তার আগে বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য মওদুদ আহমেদের পুত্র আমান মমতাজ ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে মারা যান।

চিকিৎসকদের মতে অতিবৃষ্টি, অত্যাধিক তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা এডিস মশার বংশবৃদ্ধি প্রভাবিত করছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইরোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড সাইফ উল্লাহ মুনশী বলেন, ‘সাধারণত জুন থেকে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু ছড়ায়। এই রোগের লক্ষণগুলো হলো জ্বর, মাথাব্যথা ও শরীরে ব্যথা।

ইনস্টিটিউট অব এপিডেমিওলজির ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড রিসার্চ বিভাগের পরিচালক প্রফেসর মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘ডেঙ্গু সম্পর্কে জনমনে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে এবং মশার বংশবৃদ্ধি রোধ করার জন্য কাজ করতে হবে।’

/ইউআর/এফএ/

 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।