সকাল ১০:১৯ ; সোমবার ;  ২২ অক্টোবর, ২০১৮  

ডিমের বিকল্প ডিমই!

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

লাইফস্টাইল ডেস্ক।।

আজ ৯ অক্টোবর বিশ্ব ডিম দিবস। ডিমের গুণগতমান সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতি বছর অক্টোবরের দ্বিতীয় শুক্রবার পালিত হয় বিশ্ব ডিম দিবস।  

প্রাকৃতিক প্রোটিনের শ্রেষ্ঠ উৎস হচ্ছে ডিম। যদিও ডিম সম্পর্কে রয়েছে নানারকম বিভ্রান্তি। অনেকে মনে করেন নিয়মিত ডিম খেলে বিভিন্ন শারীরিক সমস্যায় পড়তে হয়। অনেকে হৃদরোগের ভয়ে ডিম খেতে চান না। তবে এসব ধারণাকে ভুল বলেছে ব্রিটিশ মেডিকেল জার্নাল। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডিমে কোনও ক্ষতির সম্ভাবনা তো নেই-ই, উপরন্তু নানা ধরনের শারীরিক সমস্যার সমাধান হিসেবে কাজ করে ডিমে থাকা প্রোটিন, রিবোফ্লোবিন, ভিটামিন বি১২, ফলেট ও ভিটামিন ডি।

 

ডিম কেন খাবেন?
মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডা: কাজী তাসনুভা তারান্নুম জানালেন, প্রতিটি মানুষের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় ডিম রাখা অপরিহার্য। বিশেষ করে বাড়ন্ত বয়সে ডিম খাওয়ার কোন বিকল্প নেই। কারণ ডিম একটি সুষম খাদ্য। দুধের মতো ডিমেও প্রায় সব খাদ্যগুণ রয়েছে। আমিষ, শর্করা, আয়রনসহ এগুলো সবই প্রয়োজন বাড়ন্ত বয়সে। মস্তিষ্ক ও হাড়ের সঠিক গঠনে সাহায্য করে ডিম। ২১ বছর বয়স পর্যন্ত কোন চিন্তা ভাবনা ছাড়াই সবাই দিনে দুটি করে ডিম খেতে পারবেন। ৩০ বছরের পর একটি করে ডিম খাওয়া যাবে। এতে কোনও ঝুঁকি নেই। অনেকে ডিমের কুসুম বাদ দিয়ে সাদা অংশ খান হৃদরোগ ও উচ্চ রক্তচাপের ভয়ে। তবে আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন-এর মতে ডিমের কুসুমেও তেমন কোন ঝুঁকি নেই। প্রতি সপ্তাহে ৫ থেকে ৬ টি ডিম বরং বিভিন্ন শারীরিক রোগের ঝুঁকি কমায়। যাদের স্বাভাবিকের চাইতে কম থাকে ব্লাড প্রেসার তাদের জন্য ডিম খুবই উপকারী। মেয়েদের শারীরিক সুস্থতার জন্যও ডিম জরুরি। খাদ্যগুণের বিবেচনায় বলা হয়, ডিমের বিকল্প কেবল ডিমই।


/এনএ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।