সকাল ০৮:১০ ; রবিবার ;  ১৭ নভেম্বর, ২০১৯  

কাশফুলের রাজ্যে...

প্রকাশিত:

লাইফস্টাইল ডেস্ক।।

আকাশে ভেসে বেড়ানো সাদা মেঘের আকর্ষণেই বুঝি তরতরিয়ে বেড়ে ওঠে শুভ্র কাশফুলের দল! যদিও এবার বর্ষাকালের রেশ কাটেনি এই শেষ শরতেও। হঠাৎ বৃষ্টিকে উপেক্ষা করে বাতাসে ভেসে আসা কাশফুল মনে করিয়ে দিচ্ছে এখন শরৎকাল। দিগন্তবিস্তৃত কাশবন ঝলমল করছে আপন সৌন্দর্যে। সাদা মেঘের ভেলাও মাঝেমধ্যেই স্বরূপে ঘোষণা করছে শুভ্র শরতের। আর মাত্র কয়েকদিনই বাকি শরৎ শেষ হওয়ার। কিছুদিনের মধ্যেই ফিকে হতে শুরু করবে রেশমের মতো ঝলমল করতে থাকা কাশফুল। তাই ব্যস্ততার কারণে যাদের শরতের শুভ্রতা দেখার সুযোগ হয়ে ওঠেনি এখনও, তারা ঘুরে আসতে পারেন কাশফুলের রাজ্য থেকে।

ঢাকার মধ্যে উত্তরার দিয়াবাড়িতে রয়েছে বিশাল কাশবন। এছাড়া মিরপুর, বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা ও আফতাবনগরেও পাবেন কাশফুলের দেখা। সম্ভব হলে একটু সময় বের করে চলে যেতে পারেন কেরানীগঞ্জ কিংবা পদ্মার চরে। কেরানীগঞ্জে বেশকিছু ফাঁকা প্রজেক্টে গড়ে উঠেছে কাশের রাজ্য। এছাড়া মুন্সিগঞ্জের ভাগ্যকূল বাজারের খেয়াখাট থেকে ট্রলার নিয়ে দলবেঁধে ঘুরে আসতে পারেন পদ্মার চর জানাজাত থেকে। নদীর পাড় ঘেঁষে ঝাঁক বেঁধে কাশফুল দাঁড়িয়ে আছে এ চরে।

বাংলা ট্রিবিউন পাঠকদের জন্য কাশফুলের ছবি তুলেছেন আলোকচিত্রী ফারুখ আহমেদ।           
 

সাবধানতা

সাধারণত খালি পড়ে থাকা জমিতেই গড়ে ওঠে কাশবন। এ জায়গাগুলোতে মানুষের আনাগোনা কম থাকে। তাই ঠিকঠাক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে তবেই যাবেন কাশফুল দেখতে। অবশ্যই দিনের আলো থাকতে থাকতে যাবেন। দলবেঁধে যাওয়াই ভালো। কোনও নির্দিষ্ট প্রজেক্টে কাশফুল দেখার ক্ষেত্রে সে প্রজেক্টের নিরাপত্তাকর্মীদের কাউকে সঙ্গে রাখুন। পদ্মার চরে যেতে চাইলে ১০-১২ জন মিলে ট্রলার নিয়ে চলে যান।


/এনএ/

 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।