রাত ১২:১৫ ; মঙ্গলবার ;  ১৭ জুলাই, ২০১৮  

শ্যালা নদীর বিকল্প নৌপথ চালু

প্রকাশিত:

খুলনা প্রতিনিধি॥

সুন্দরবনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় বনের অভ্যন্তরীণ নৌরুটের ব্যবহার কমাতে পরীক্ষামূলক ভাবে শুরু হয়েছে বিকল্প রুটের ব্যবহার।

শনিবার বিকালে পরীক্ষামূলকভাবে ৪টি জাহাজ বিকল্প নৌ-রুট ব্যবহার করে  মংলা-ঘাসিয়াখালী চ্যানেল দিয়ে বলেশ্বর নদীতে পৌছায়। পরীক্ষামূলকভাবে চলাচলকালে চ্যানেলটি দিয়ে সর্বোচ্চ ১১ ফুট গভীরতার জাহাজ একমুখী চলতে পারবে।

বিআইডব্লিউটিএ খুলনার উপ-পরিচালক (নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন) মোঃ আশরাফ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।তিনি বলেন, প্রথম দিনে ১১ফুটের ৪টি জাহাজ বিকালে জোয়ার শুরুর ১ ঘন্টা আগে যাত্রা  চ্যানেলটি অতিক্রম করে।

তবে আপাতত ১১ ফুটের বেশি গভীরতা জাহাজগুলো সুন্দরবনের শ্যালা নদীর রুট দিয়েই চলাচল করতে হবে। তবে আরও গভীর জাহাজ চলাচল নিশ্চিত করতে  ড্রেজিং কাজ চলছে। ড্রেজিং সম্পুর্ণভাবে সম্পন্ন হলেই বেশি গভীরতার জাহাজ চলাচল করার অনুমতি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

পরীক্ষামূলকভাবে খুলে দেওয়া এই চ্যানেলটি দিয়ে কেবলমাত্র দিনের বেলা জোয়ারের সময় একমুখী জাহাজ চলতে পারবে। কোনও ধরনের ক্রসিং করার সুযোগ থাকবে না। সে বিষয়টি নিয়ে প্রচারণা চালানো হবে। আর মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে এই বিষয়টি মনিটরিং ও পর্যবেক্ষণের জন্য দায়িত্ব দেওয়া

উল্লেখ্য, নাব্যতা সংকটের কারণে ২০১০ সাল থেকে মংলা-ঘাসিয়াখালী নৌ-রুটটি বন্ধ হয়। এরপর বিকল্প হিসেবে সুন্দরবনের শ্যালা নদী দিয়ে সব ধরনের নৌযান চলাচল শুরু হয়। ২০১৪ সালের ৯ ডিসেম্বর শ্যালা নদীতে তেলবাহী ট্যাঙ্কার ডুবে তেল ছড়ানোর পর সুন্দরবন প্রাকৃতিক ভারসাম্য হুমকির মুখে পড়ায় রুটটি বন্ধ করে মংলা-ঘাসিয়াখালী চ্যানেলটি চালু করার দাবি জোড়ালো হয়। এরপর সরকারও পদক্ষেপ নিয়ে মংলা-ঘাসিয়াখালী নৌ-পথ চালুর জন্য ড্রেজিং করাসহ কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে।

/এআই/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।