রাত ০৯:৩০ ; রবিবার ;  ১৫ ডিসেম্বর, ২০১৯  

জাদুবাস্তববাদ : কী, কেন, কোথায় এবং কীভাবে? || শেষ পর্ব || হামীম কামরুল হক

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

পূর্ব প্রকাশের পর

জাদুবাস্তবতাবাদে বিবেচ্য বিষয় সম্পর্কে একটি প্রস্তবনা

জাদুবাস্তববাদের যেকোনো আলোচনায় ফ্রানৎস রোহ-র কথা প্রসঙ্গতই উচ্চারিত হয়ে থাকে। আলোচনা করতে গিয়ে আমরা দেখেছি, চিত্রকলা থেকে উদ্ভূত হলেও বর্তমানে এটি সাহিত্যের সঙ্গেই নিবিড়ভাবে লগ্ন। বাস্তবতাকে দেখবার যে-আকাঙ্ক্ষা সাধারণভাবে বিরাজ করে এটি সেই আকাঙ্ক্ষাকে ধ্বংস করে। তারপরও জাদুবাস্তববাদকে সাহিত্য রচনার একটি কেতা বা ঢং বা ‘ফ্যাশান’ই বলা হচ্ছে। ম্যাগি অ্যান বাউয়ার্স তাঁর আলোচনায় জাদুবাস্তববাদের উৎস থেকে শুরু করে এর ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করতে গিয়েও এই দিকে আঙুলি তুলেছেন। অনেক সমালোচকই মনে করেন, এটি লেখার একটি কেতাকানুন বা ফ্যাশান হিসেবে যদি চর্চিত হয়, তাহলে একটি আরোপিত বিষয় হিসেবে যেকোনো ফ্যাশানের মতোই কোনো এক সময়ে বিদায় নেবে; কিন্তু এটি যদি কোনো সংস্কৃতির ভেতরে থেকে উঠে আসে, লেখক যদি তার উদ্ভাবনী ক্ষমতার ভেতরে দিয়ে এটিকে ব্যবহার করতে পারেন, তাহলে এর আয়ু এত সহজে ফুরিয়ে যাবে না। যদিও এর বিস্তারের পেছনে পশ্চিমা পাঠকদের একটি ভূমিকা আছে- যার বেশিরভাগ পাঠক, এটি যে ভূমির সঙ্গে বিশেষভাবে যুক্ত, অর্থাৎ লাতিন আমেরিকা, তার অনেক কিছু সম্পর্কেই স্পষ্ট ধারণা রাখেন না। এছাড়া তৃতীয় বিশ্বের যে বাস্তবতা এতে উঠে আসে সেটি উদ্ভট বলেও আকর্ষিত হন এই পাঠকেরা। ফলে এর জনপ্রিয়তা বা পাঠকপ্রিয়তার ভিতকে শক্তিশালী মনে করেন না অনেক সমালোচক। ম্যাগি অ্যান বাউয়ার্স জাদুবাস্তববাদের জাদুকে তিনটি  রূপে বা পরিচয়ে একীভূত করেছেন। এর প্রথমটি হল এটি কথাসাহিত্যের একটি বর্ণনারীতি, দ্বিতীয়টি হল সাংস্কৃতিক বাস্তবতা, তৃতীয় হল এটি বাস্তবতার একটি মেটাফিজিক্যাল অবস্থাকে নির্দেশ করে (ড.মো. মুহসিন, ২০১৪: ১৭-২১)। জাদুবাস্তববাদকে এভাবে নানান দিকে ও মাত্রায় দেখার ও বিশ্লেষণ করার সুযোগ রয়েছে; কিন্তু বিভিন্ন সমালোচকের আলোচনায় এর ভেতরে থাকা সাধারণ বৈশিষ্ট্যগুলি খুব একটা আলাদা হয়নি। জাদুবাস্তববাদ সম্পর্কে তাঁদের নির্দেশনা অনুযায়ী দেখি এর যে-কয়েকটি দ্রষ্টব্য বিষয় সেগুলিকে এভাবে সাজানো যেতে পারে-

ফ্রানৎস রোহ

১. প্রাচীন ও মধ্যযুগের সাহিত্যে জাদুবাস্তববাদের নানান নমুনা থাকলেও আধুনিক সময়ে এটি ইউরোপ থেকে উদ্ভূত। মূলত চিত্রকলার একটি রীতি হিসেবে একে প্রথম শনাক্ত করেন জার্মান চিত্রসমালোচক ফ্রানৎস রোহ।

২. জাদুবাস্তববাদকে বুঝতে হবে বর্ণনার জাদুময় মুহূর্ত ও পরিস্থিতি দিয়ে। কারণ পুরো কাহিনি জুড়েই অবিরাম জাদুময় ঘটনা ঘটে না, প্রতিটি বাক্যে ঘটে না। তাহলে তো সেটি মায়াপুরী বা রূপকথার জগৎ হয়ে যেতো। কিন্তু সেটি ঘটে দৈনন্দিন বাস্তবতার ভেতরে। এজন্য একেবারে সাদামাটা জীবনের ভেতরে ঘটে যাওয়া, এই সব চট করে দেখা দেওয়া ঘটনাগুলিই দেখাতে পারে সাহিত্যে জাদুবাস্তববাদ কীভাবে হাজির করা হয়। তবে এর অন্যসব মাত্রাও আছে। জাদুবাস্তববাদকে সংক্ষেপে বলা যায়: এটি ব্যক্তিলেখক কর্তৃকর সচেতনভাবে গৃহীত এমন একটি প্রকাশভঙ্গি যেখানে দৈনন্দিন বাস্তবতার ভেতরে অন্তর্নিহিত জাদুময়তা এমনভাবে উপস্থাপিত যা প্রশ্নহীনভাবে মেনে নেওয়া হয়, যেখানে জাদু ও জীবনকে আলাদা করা যায় না। ফলে প্রাচীন ও লোকজ সাহিত্যে জাদুবাস্তববাদ সন্ধান করা বাহুল্য বিষয় হয়ে ওঠে। কারণ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এসব সাহিত্যের লেখক অজ্ঞাত এবং সেখানে হাজির করা জাদুবাস্তবতাময় পরিস্থিতি মতার্দশগতভাবে কোনো লেখকের সচেতনভাবে সৃষ্ট নয়।

৩. লাতিন আমেরিকার সাহিত্যিকদের হাতেই এর বিকাশ ঘটেছে। লাতিন আমেরিকার জাদুবাস্তববাদ ওই মহাদেশের সংস্কৃতির ভেতরে থেকে উদ্গত। মূলত এর মাধ্যমে ইউরোপ থেকে স্বতন্ত্র ভাষা ও ভাষ্য তৈরিতে আলেহো কার্পেন্তিয়েরের মতো লেখক উদ্যোগ নিয়েছিলেন। তবে হোসে ওর্তে-গা-ই গাসেত, মিগুয়েল আনহ্লে আস্তুরিয়াস, হোর্হে লুই বোর্হেসের অবদানও কম নয়। কিন্তু পরবর্তীকালে এটি লাতিন আমেরিকার নিজস্ব-স্বর হিসেবে আবির্ভূত হয়। কেবল সাহিত্যরীতিই নয় তাদের আর্থসমাজিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা এটিকে তাদের সাহিত্যে অনিবার্য করে তোলে। লাতিন আমেরিকার জাদুবাস্তববাদকে বলা হয় কুহকী বাস্তবতাবাদ। তাদের নিয়ত তাড়িত জীবন ও বাস্তবতার সঙ্গে এর কোনো ভেদ নেই। তবে সেখানকার সব সাহিত্যকীর্তিই জাদুবাস্তববাদী নয়। অন্যান্য ধারার রচনাও সেখানে চর্চিত।

হোর্হে লুই বোর্হেস

৪. সবমিলিয়ে এর তিনটি মাত্রা আছে- ক. জাদুবাস্তববাদ, খ. জাদুময় বাস্তবতাবাদ, গ. কুহকী বাস্তবতাবাদ। এর প্রথমটি ইউরোপীয়, দ্বিতীয়টি বিশ্বজনীন, তৃতীয়টি লাতিন আমেরিকার নিজস্ব জাদুবাস্তববাদ। তবে তিনটিই ইংরেজিতে ‘ম্যাজিক রিয়ালিজম’ হিসেবে বাংলায় জাদুবাস্তববাদ নামে পরিচিত। বাংলাভাষায় ‘জাদুবাস্তবতা’(ম্যাজিক রিয়ালিটি) শব্দটি বিশেষভাবে পরিচিতি পেয়েছে, যা আসলে ‘জাদুবাস্তবতাবাদে’র মাধ্যমে শনাক্তকৃত হয়।

৫. এর রচনাশৈলীর সঙ্গে মধ্যযুগের বারোক রীতির সাদৃশ্য আছে।

৬. পরাবাস্তবতাবাদের যেখানে সমাপ্তি সেখানেই যেন জাদুবাস্তববাদের সূচনা, সেটি রীতির দিক থেকেও যেমন, সময়কালের দিক থেকেও। পরাবাস্তবতাবাদের কাল ধরা হয় ১৯১৯ থেকে ১৯৩৯ পর্যন্ত; আর জাদুবাস্তববাদের কাল শুরু ১৯৪০ থেকে, এবং এর চূড়ান্ত বিকাশ সাধিত হয় ১৯৮০ সাল পরবর্তী সময়ে।

৭. পরাবাস্তবতাবাদের পেছনে ফ্রয়েডীয় মনোবিকলন ও মনস্তত্ত্ব বিশেষভাবে কাজ করেছে; কিন্তু জাদুবাস্তববাদের পেছনে কাজ করেছে দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক পরিস্থিতির চাপ। পরাবাস্তবতাবাদ মনস্তত্ত্ব-নির্ভর; জাদুবাস্তববাদ অভিব্যক্তি-নির্ভর।

৮. মৃত্যু, ভয়, ভয়াবহ অনিশ্চয়তা ও হত্যার মতো ঘটনা জাদুবাস্তববাদী রচনার প্রধানতম উপজীব্য বিষয় হয়ে থাকে।

৯. এর ভেতরে প্রায়শই অবৈধ সম্পর্কের তীব্রতা ও প্রাণসংহারী যৌনতার ঘটনা দেখা যায়।

আলেহো কার্পেন্তিয়র

১০. জাদুবাস্তববাদী লেখক সময় ও সাহিত্যকে ইতিহাসম্মতভাবে (হিস্টোরিক্যালি) দেখে থাকেন এবং কর্তৃত্ববাদী ও ক্ষমতাসীনদের অনুকূলে চর্চিত ও প্রচারিত ইতিহাসকে আক্রমণ করে থাকেন। সেই সঙ্গে তারা যা চেপে রাখতে চায় বা বিস্মৃত হতে দিতে চায় তার বিপরীতে তিনি সেগুলো হাজির করেন।

১১. সমস্ত রকমের কর্তৃত্ববাদী মতবাদ ও তত্ত্বের ওপর এটি আঘাত করে।

১২. বহুমুখী সত্য ও এক সত্যের বহুরূপকে এটি পাশাপাশি রাখতে পারে।

১৩. এটি সবধরনের মৌলবাদ, বর্ণবাদ এবং সাম্প্রদায়িকতাবিরোধী। এটি মূলত মানবতার ওপর আরোপিত অশুভ সমস্ত চাপের বিরুদ্ধে পালটা চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

১৪. এটি উপস্থাপনার দিক থেকে অশুভদর্শী (pessimistic), কিন্তু এর অভিমুখ শুভদর্শী (optimistic)।

১৫. ঔপনিবেশিক সময় ও তৎপরবর্তী বাস্তবতা, নব্য-ঔপনিবেশিকতা, সাম্রাজ্যবাদের বিপরীতে এটি কাজ করতে তৎপর।

১৬. উত্তরাধুনিকতা ও ক্রিটিক্যাল থিওরি অধীনস্থ নানা বিষয় ও ঘটনা ব্যাখ্যা করতে জাদুবাস্তববাদী পাঠ্যবস্তু বা টেক্সটগুলি বেশ কার্যকর।

১৭. এটি স্বঘোষিত (self-reflexive)। জাদুবাস্তবতা যেখানে দেখা দেয়, সেটি এর লেখক এর আগে বা পরে নির্ণয় করে দেন না যে, তিনি যা বর্ণনা করলেন, এটা একটা জাদুময় বিষয় ছিল বা এটি জাদুবাস্তব পরিস্থিতি। পাঠক নিজেই বুঝতে পারেন, সেই অংশে এর লেখক কী ধরনের ভূমিকা পালন করেছেন। মূল কথা হলো: ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করে জাদুবাস্তবতার মুহূর্ত ও পরিস্থিতিগুলিকে উপস্থাপনের দরকার হয় না।

সিগমুন্ড ফ্রয়েড

১৮. এর রচনাশৈলী পরিমিতির দাবি করে; সেই সঙ্গে এটি ভাবলুলতামুক্ত ও আবেগহীন হয়ে উঠতে চায়।

১৯. এটি বৈশ্বিক ও সর্বজনীন শিল্পরীতি হয়ে ওঠার মতো স্থিতিস্থাপকতা গুণসম্পন্ন।

২০. পরাবাস্তবতাবাদ, প্রতীকবাদ, অলৌকিক, উদ্ভট, অ্যাবসার্ড, রহস্যময়, চেতনাপ্রবাহমূলক গদ্যের সঙ্গে এর সূক্ষ্ম পার্থক্য আছে। এর বর্ণনা ওপরের দিক থেকে অ-কাব্যিক ও শ্লথ কিন্তু অন্তর্গতভাবে এতে থাকে এক গতিময়তা ও কাব্যিকতা। ভাষা কিংবা গদ্য নয়, এর বয়ান ও বুনন-কৌশল যেকোনো ভাষায় অনুবাদের পরও প্রায় অক্ষুণ্ন রাখা যায়।

২১. চরিত্র ও ঘটনাকে একই সাথে অতীত-বর্তমান ও ভবিষ্যতে নিয়ে যাওয়ার বর্ণনাক্ষমতা এর আছে বলে এর সঙ্গে চেতনাপ্রবাহ রীতির মিল পাওয়া যায়।

২২. জাদুবাস্তবতা বস্তুজগতের সঙ্গে নতুন এক আধ্যাত্মিক সম্পর্ক তৈরি করতে পারে।

একারণে বিশ্বের স্নায়ুযুদ্ধপরবর্তী সময়ে, সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় আদর্শবাদের যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, সে জায়গায় দেশে দেশে নতুন শিল্পরীতি নির্মাণে ইন্ধন জোগাতে পারে। লাতিন আমেরিকার মন ও মননের নতুন বিন্যাসের দিকে তাকালে সেটি যে বেশ কার্যকরভাবে সম্ভব, জাদুবাস্তববাদ সেই সম্ভবনাই জাগিয়ে রাখে; আদতে সমকালীন জীবন ও এর গভীর বাস্তবতাকে উপলব্ধি করানোই এর কাজ।

উপরে বর্ণিত বিষয়গুলি জাদুবাস্তবতাদের সাধারণ রূপ, কিন্তু এটি সবরকমের শনাক্তকরণের ছক ভেঙে নিত্যনতুনভাবে উপস্থাপিত হতে পারে। সেই অর্থে সৃজনশীল সাহিত্যে এর ভূমিকা সবসময়ই চমকপ্রদ। সব রকমের একঘেয়েমি থেকে মুক্ত করে জাদুবাস্তববাদ মানুষকে নতুন করে স্বপ্ন দেখাতে পেরেছে, কারণ তা বাস্তবতার গভীর এক স্তরে মানুষকে নিয়ে যেতে পারে, মানুষের কৃতকর্মের ফলে ধ্বংস ও নির্মাণ— দুয়েরই নতুন বাস্তবতা এটি হাজির করতে পারে। এটি সাহিত্যের ক্ষেত্রে বিষয় ও আঙ্গিকে নতুন মাত্রা যোগ করতে পেরেছে। এতে মুক্ত এবং সীমান্তহীন এক পৃথিবীর ডাক শোনা যায়, যদিও একইসঙ্গে আত্মপরিচয় ও ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যকে এটি স্বীকার করে নেয়। একারণে বিশ্বের স্নায়ুযুদ্ধপরবর্তী সময়ে, সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় আদর্শবাদের যে শূন্যতা তৈরি হয়েছে, সে জায়গায় দেশে দেশে নতুন শিল্পরীতি নির্মাণে ইন্ধন জোগাতে পারে। লাতিন আমেরিকার মন ও মননের নতুন বিন্যাসের দিকে তাকালে সেটি যে বেশ কার্যকরভাবে সম্ভব, জাদুবাস্তববাদ সেই সম্ভবনাই জাগিয়ে রাখে; আদতে সমকালীন জীবন ও এর গভীর বাস্তবতাকে উপলব্ধি করানোই এর কাজ। এছাড়াও একমুখী বিশ্বব্যবস্থার বিরুদ্ধে এবং যেকোনো দেশের অভ্যন্তরীণ শাসন শোষণ নিপীড়ন এবং নব্য-উপনিবেশবাদের বিরুদ্ধে একটি বলিষ্ঠ সাহিত্যিক ভূমিকা পালন করতে পারে। এটি যেমন এনে দিতে পারে ব্যষ্টি ও সমষ্টির আত্মপরিচয়ের দিশা, তেমন দিতে পারে মানবিকতা ও বিশ্ববোধের নতুন দীপ্তি।

আগের পর্বগুলো পড়তে ক্লিক করুন-

জাদুবাস্তববাদ : কী, কেন, কোথায় এবং কীভাবে? || পর্ব-৪ || হামীম কামরুল হক

জাদুবাস্তববাদ : কী, কেন, কোথায় এবং কীভাবে? || পর্ব-৩ || হামীম কামরুল হক

জাদুবাস্তববাদ : কী, কেন, কোথায় এবং কীভাবে? || পর্ব-২ || হামীম কামরুল হক

জাদুবাস্তববাদ : কী, কেন, কোথায় এবং কীভাবে? || পর্ব-১ || হামীম কামরুল হক

 

 

 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।