সকাল ০৯:৫৩ ; শুক্রবার ;  ২১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮  

গোসল পছন্দ নয় আমিরের!

প্রকাশিত:

বিনোদন ডেস্ক।।

তাকে বলা হয় মিস্টার পারফেকশনিস্ট। তবে সব কিছুতেই কি? টাইমস অব ইন্ডিয়ার ফ্যাক্টবুক ঘেঁটে জানা গেল আমিরের আরও অনেক অধ্যায়, যার কোনওটিতে তাকে ঠিক পারফেকশনিস্ট বলা যাচ্ছে না। কী লেখা আছে সেখানে?

১. বাবা ছিলেন সিনেমার প্রযোজক। একের পর এক লোকসান হচ্ছিল। তাই শৈশবটা বেশ কষ্টেই কেটেছে। এর মাঝে মাথায় আবার অভিনয়ের পোকা। পরিবার চাইছিল না সে সিনেমায় ঢুকুক। কিন্তু আমির নাছোড়বান্দা। এতটাই মরিয়া ছিলেন যে, হাইস্কুলের পর পড়াশোনার পাঠ দিয়েছেন চুকিয়ে।

২. আমিরের প্রথম ছবিতে কোনও সংলাপ ছিল না। নির্বাক ওই ছবিতে মূল চরিত্রে ছিলেন আমির, সঙ্গে ছিলেন নিনা গুপ্ত।

৩. গোসলে মারাত্মক অনীহা তার। ছুটির দিনে তো শাওয়ার না নিয়েই বেরিয়ে যান কাজে। ‘গোলাম’ ছবির জন্য নিজের চরিত্রটাকে আত্মস্থ করতে নাকি টানা ৩-৪ দিন গোসল না করেই কাটিয়েছেন। ‘কফি উইথ করণ’ অনুষ্ঠানে এ সব অভিযোগ করেন স্বয়ং আমির পত্নী কিরণ রাও।

৪. তবে খেলাধুলায় পারফেকশনিস্ট বলতেই হয়। আমির কিন্তু মহারাষ্ট্রের টেনিস চ্যাম্পিয়ন।
৫. মাদাম তুসোর জাদুঘরে শাহরুখ, অমিতাভ, ঐশ্বরিয়াদের মোমমূর্তি থাকলেও আমিরের নেই। জাদুঘর কর্তৃপক্ষ আমিরের কাছে প্রস্তাব দিলে তিনি তা নাকচ করে বলেন, এটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ না।

৬. ভীষণ খাদ্যরসিক বটে। সিনেমার কাজ না থাকলে খেতে থাকেন গলা পর্যন্ত। মোগলাই খাবার পছন্দের শীর্ষে। তালিকায় আছে- বিরিয়ানি বাদশাহি, শাহি রোগান জোশ ও এগ হোয়াইট মাসালা অমলেট।

৭. শাহরুখের সুপারহিট ‘ডর’ ও ‘স্বদেশ’ ছবির জন্য আমিরই ছিলেন প্রযোজকের প্রথম পছন্দ। কিন্তু আমির দুটি ছবিতেই না বলে দিয়েছিলেন।

৮. জুহি চাওলার সঙ্গে অনবরত মজা করতেন আমির। আর প্রতিবারই রাগ করে কথা বন্ধ করে দিতেন জুহি। একবার টানা ৫ বছর কথা হয়নি দুজনের।

/এআরসি/এম/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।