রাত ১০:২৬ ; রবিবার ;  ২০ অক্টোবর, ২০১৯  

জোয়ার-ভাটার ছন্দের তালে (ভিডিওসহ)

প্রকাশিত:

নাঈম রায়হান ভূঁইয়া।।

পদ্মা-মেঘনা থেকে শুরু করে লন্ডনের টেমস নদী। দুনিয়াজুড়ে নদী আর আর সাগর-মহাসাগরের জয়জয়কার। ফলে কমবেশি সবাই জোয়ার-ভাটার সঙ্গে পরিচিত। প্রকৃতির নিয়মেই নদী বা সাগরের উত্তাল তরঙ্গরাশি এসে গ্রাস করে বিস্তীর্ণ এলাকা। পরে আবার ভাটার টানে নেমে যায় পানি। শুকনো সৈকতে তখন লোকজনের ভিড় কমে। নদী-সাগরের নান্দনিক সৌন্দর্য উপভোগে ব্যস্ত হয়ে পড়ে সবাই।

জোয়ার-ভাটায় জীবন বাঁধা জেলেদের। তাদের কাছেও এটা এক বিস্ময়ের নাম। কত ঢংয়ে বয়ে যায় সে, কত বিশাল, কত বিচিত্র।

আধাঘণ্টা আগেও যেখানে দেখেছেন সমুদ্রের গর্জন, সেটাই এখন কোলাহলমুখর। বিকিকিনিতে ব্যস্ত অনেকে। কেউবা ব্যস্ত সৈকতে ছবি তুলতে। সমুদ্রের জোয়ার-ভাটার আগের ও পরের দৃশ্যটাই শৈল্পিক ভঙ্গিতে তুলে এনেছেন খ্যাতনামা ব্রিটিশ ভাস্কর জেসন ডি কেয়ারস টেইলর। আপাত জটিল বৈজ্ঞানিক সমীকরণের বাইরে সাদা চোখে তিনি দেখিয়েছেন, কিভাবে জোয়ার-ভাটার এই পরিবর্তনটা কাজ করে।

লন্ডনের টেমস নদীর সৈকতে কিছু ভাস্কর্য তৈরি করেছেন জেসন ডি কেয়ারস টেইলর। এর নাম দেওয়া হয়েছে ‘রাইজিং টাইড’ বা ক্রমবর্ধমান জোয়ার। এতে দেখা যায়, আরোহী নিয়ে লন্ডনের টেমস নদীর তীরে অবস্থান করছে চারটি সুঠামদেহী ঘোড়া। জোয়ারের সময় সমুদ্রে ডুব দিলেও পানি নেমে যাওয়ার পর অর্থাৎ ভাটার সময় সেগুলো আবারও মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। দিনে মাত্র দুইবার দেখা যাবে এসব ভাস্কর্য। এভাবেই টেমস ফেস্টিভ্যালে নিজের শিল্পকর্ম তুলে ধরেন জেসন ডি কেয়ারস টেইলর।

জোয়ারের সময়

ভাটার সময়

চাইলেই এভাবে সৈকতে তৈরি করা যায় যে কোনও নান্দনিক স্থাপনা। নিঃসন্দেহে এটা পর্যটকদের মুগ্ধ করবে। তবে সেটা তৈরিতে যেন কোনও অবস্থাতেই পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কোনও উপাদান ব্যবহার করা না হয়।

ভিডিও

/আরএফ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।