সকাল ১০:৩৮ ; বুধবার ;  ১৩ নভেম্বর, ২০১৯  

খিলগাঁওয়ে পয়ঃশোধনাগারসহ ৫ প্রকল্প অনুমোদন

প্রকাশিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।।

খিলগাঁও থানাধীন গজারিয়া মৌজার দাশেরকান্দি এলাকায় পয়ঃশোধনাগারসহ ৫ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।

এর মধ্যে ৪টি নতুন প্রকল্প, অপরটি সংশোধিত। এতে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ হাজার ৫৫৩ কোটি ১ লাখ টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ৩ হাজার ৯৪৭ কোটি ৬৪ লাখ টাকা, বাস্তবায়নকারী সংস্থার নিজস্ব তহবিল ১৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য বাবদ ২ হাজার ৫৮৭ কোটি ৫২ লাখ টাকার যোগান দেবে।

রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ অনুমোদন দেওয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা।

মঙ্গলবার একনেকের বৈঠকে অনুমোদিত প্রকল্পগুলো মধ্যে রয়েছে:

দাশেরকান্দি পয়ঃশোধনাগার

বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে তৈরি পয়ঃশোধনাগার বিশদ পরিকল্পনার (মাস্টার প্ল্যান) আওতায় ঢাকা ও পাশ্ববর্তী এলাকায় ১১টি শোধনাগার নির্মাণ করা হবে। এর অংশ হিসেবে খিলগাঁও থানাধীন গজারিয়া মৌজার দাশেরকান্দি এলাকায় শোধনাগার নির্মাণের প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় সরকার বিভাগের আওতায় এটি বাস্তবায়ন করবে ঢাকা ওয়াসা। বাস্তবায়নকাল জুলাই, ২০১৫ থেকে ডিসেম্বর, ২০১৯। প্রকল্পটির মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৩১৭ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ১ হাজার ১২৩ কোটি ৭৭ লাখ টাকা, প্রকল্প সহায়তা হিসেবে চায়না এক্সিম ব্যাংক ২ হাজার ১৮৪ কোটি টাকা এবং সংস্থার নিজম্ব তহবিল ১০ কোটি টাকা যোগান দেবে।  

দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলীয় সমন্বিত পানি  সম্পদ পরিকল্পনা ও ব্যবস্থাপনা (২য় পর্ব)

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ৪৮২ কোটি ১০ লাখ টাকায় এটি বাস্তবায়ন করবে। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ৭৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা এবং এশিয় উন্নয় ব্যাংক ও নেদারল্যান্ড ৪০৩ কোটি ৫২ লাখ টাকার যোগান দেবে। প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল জুলাই, ২০১৫ থেকে জুন, ২০২২।

প্রকল্প এলাকায় রয়েছে ফরিদপুর জেলার সদর, নগরকান্দা, আলফাডাঙ্গা, বোয়ালমারী, সদরপুর, মধুখালী ও ভাঙ্গা উপজেলা, রাজবাড়ী জেলার সদর, বালিয়াকান্দি, কালুখালী উপজেলা, গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলা, মাগুরা জেলার সদর ও শালিখা উপজেলা এবং যশোর জেলার ঝিকরগাছা চৌগাছা ও শার্শা উপজেলা।

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র প্রকল্প এলাকার দ্বিতীয় ব্লকের ভূমি উন্নয়, সংক্ষণ ও দেয়াল নির্মাণ

বাগেরহাট জেলার রামপাল উপজেলায় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ৪৬২ কোটি ৫৭ লাখ টাকায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে। এর মধ্যে বাংলাদেশ সরকার ৪৫৪ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৭ কোটি ৮৫ লাখ টাকা যোগান দেওয়া হবে। এর বাস্তবায়নকাল জানুয়ারি, ২০১৫ থেকে জুন, ২০১৭।

বাংলাদেশ-মায়ানমার মৈত্রী সড়ক বর্ডার রোড নিমার্ণ

কক্সবাজার জেলার উখিয়া এবং বান্দরবান জেলার নাইখংছড়ি উপজেলার মধ্য দিয়ে মায়ানমারের সঙ্গে স্থলপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নে সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে এ সড়ক নির্মাণ করা হবে। এতে মোট ব্যয় হবে ৫৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা। সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের আওতায় সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর জুলাই, ২০১৫ থেকে জুন ২০১৭ মেয়াদে এটি নির্মাণ করবে।

বেগুনবাড়ি খালসহ হাতিরঝিল এলাকার সমন্বিত উন্নয়ন

সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ ২ হাজার ২৩৬ কোটি ২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৪র্থ সংশোধিত এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে। বাস্তবায়নকাল জুলাই, ২০০৭ থেকে ডিসেম্বর ২০১৬।

/এফএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।