রাত ০৪:০৩ ; বৃহস্পতিবার ;  ১৭ অক্টোবর, ২০১৯  

সেপ্টেম্বরেই বিদ্যুৎ পাচ্ছে বিলুপ্ত ছয় ছিটমহল

প্রকাশিত:

নীলফামারী প্রতিনিধি॥

সদ্য বিলুপ্ত ছয়টি ছিটমহলে সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে। নীলফামারীর চারটি এবং পঞ্চগড় ও কুড়িগ্রামের একটি করে ছিটমহল এ সংযোগের আওতায় আসবে।নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি সূত্রে জানা গেছে এ খবর।

সূত্রমতে, আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ডিমলার চারটি বিলুপ্ত ছিটমহলে ২৩২ জন গ্রাহককে, কুড়িগ্রামের ৭১ গ্রাহক এবং পঞ্চগড়ের বোদায় ১৪২ জনসহ মোট ৪৪৮ জন গ্রাহককে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে।

নীলফামারী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার মো. এনামুল হক প্রামাণিক জানান, ডিমলা উপজেলায় অন্তর্ভুক্ত চারটি জনপদে পাঁচ কিলোমিটার সরবরাহ লাইন নির্মাণ এবং ২৩২টি বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া হবে। আগামী ৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বিদ্যুৎ লাইন স্থাপন ও সরবরাহের জন্য এরইমধ্যে কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

এ ছাড়া বাকি ২৬টি বিলুপ্ত ছিটমহলে ২০০ দশমিক ৬৬ কিলোমিটার লাইন নির্মাণ করে আট হাজার ১৫৯ জন গ্রাহককে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হবে।

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থলসীমান্ত চুক্তির পর দুই দেশের মধ্যে ১৬২টি ছিটমহল বিনিময় হয়েছে। এর মধ্যে ভারতে ৫১টি ও বাংলাদেশে ১১১টি। বাংলাদেশ ছিটমহলের ৫৯টি লালমনিরহাটে, ৩৬টি পঞ্চগড়ে, ১২টি কুড়িগ্রামে ও নীলফামারীতে চারটি রয়েছে। এর মধ্যে ৫২টি ছিটমহল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় পড়লেও ২০টি ছিটমহলে নেই কোনও জনবসতি। বাংলাদেশ ও ভারতের অমীমাংসিত স্থান হওয়ায় এতদিন সেখানে কোনও বিদ্যুতের লাইন বসানো হয়নি। গত ১ আগস্ট থেকে ওই এলাকা বাংলাদেশের নিজস্ব সম্পত্তি হওয়ায় সেখানে দ্রুত বিদ্যুৎসংযোগ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড ও পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড তাদের আওতায় থাকা ওই সব বিলুপ্ত ছিটমহলে বিদ্যুৎ সরবরাহ লাইন নির্মাণ করবে। এর ফলে ১৪ হাজার ৫০০টি বাড়িতে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়া সম্ভব হবে।

সূত্র জানায়, বিদ্যুতের লাইন নিতে গ্রাহককে নির্দিষ্ট অঙ্কের অর্থ জমা দিতে হয়। কিনতে হয় মিটার। তবে সাবেক ছিটমহলবাসীদের বিনামূল্যে বিদ্যুৎসংযোগ দেওয়া হবে বলে জানা গেছে। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়া হবে।

/বিএল/এফএ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।