সকাল ০৯:৫৫ ; শুক্রবার ;  ১৯ জুলাই, ২০১৯  

পেঁয়াজ রফতানি দর ৭০০ ডলারে উন্নীত করেছে ভারত

প্রকাশিত:

বিজনেস ডেস্ক।।

ভারতে খুচরা বাজারে পেঁয়াজের কেজি ৮০ রুপি ছুঁয়েছে। আর তাই রফতানি মূল্য বাড়িয়ে অভ্যন্তরীন বাজারে উর্ধ্বমূখী দরে লাগাম টানতে চেষ্টা করছে দেশটি।

শনিবার ভারত পেঁয়াজের নূন্যতম রফতানি দর (এমইপি) টন প্রতি ২৭৫ ডলার বাড়িয়েছে।

ভোগ্যপণ্য বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে এক বিবৃতিতে বলা হয়, “অভ্যন্তরীণ বাজারে সরবরাহ বাড়াতে টন প্রতি পেঁয়াজের নূন্যতম রফতানি দর ৭০০ ডলারে উন্নীত করা হলো।” এর আগে এ দর ছিল ৪২৫ ডলার।

এতে আরও বলা হয়েছে, পেঁয়াজের দরের ওপর সরকার সতর্ক নজর রাখছে। ১০ হাজার টন পেঁয়াজ আমদানির জন্য একটি দরপত্র আহবান করা হয়েছে। এটি আগামী ২৭ আগস্ট খোলা হবে।

উল্লেখ্য, এমইপি হচ্ছে ভারত সরকার কর্তৃক কোনো পণ্যের রফতানির সর্বনিম্ন দর। এর নিচে কোনো রফতানিকারক দেশটির থেকে পণ্য রফতানি করতে পারে না। সময়ে সময়ে দেশটির সরকার এ দর সমন্বয় করে থাকে।

সর্বশেষ গত ২৬ জুন পেঁয়াজের এমইপি টন প্রতি ২৫০ ডলার থেকে বাড়িয়ে ৪২৫ ডলার করা হয়েছিল।

গত কয়েক দিন ধরে ভারতে পেঁয়াজের দর বাড়ছিল। শনিবার মহারাষ্ট্রের লাসালগাঁওয়ে প্রতি কেজি পেঁয়াজের পাইকারি দর ছিল ৫৭ টাকা। এ স্থানটি এশিয়ার সবচেয়ে বড় পেঁয়াজের বাজার।

পেঁয়াজের মজুদ নিরীক্ষণে ভোগ্যপণ্য বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সচিব আগামীকাল সোমবার সরকারি বিভিন্ন সংস্থা এবং দিল্লি সরকারেরে সঙ্গে আলাচনা করবে।

গত ২০১৪-১৫ সালে দেশটিতে পেঁয়াজের উৎপাদন ৪ লাখ ৭৯ হাজার টন কমে ১৮৯ লাখ ২৩ হাজার টনে দাঁড়িয়েছে। এর আগে ২০১৩-১৪ সালে উৎপাদন ছিল ১৯৪ দশমিক ২ হাজার টন।

এ ধারাবাহিকতায় কমেছে ভারত কর্তৃক পেঁয়াজ রফতানির পরিামান। ২০১৩-১৪ সালে এর পরিমাণ ছিল ১৩ লাখ ৫৮ হাজার টন। অথচ, ২০১৪-১৫ সালে তা ১০ লাখ ৮৬ হাজার টনে নেমে এসেছে। সূত্র: পিটিআই।

/এফএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।