সন্ধ্যা ০৬:৫০ ; রবিবার ;  ০৮ ডিসেম্বর, ২০১৯  

সবার জন্য পুষ্টি নিশ্চিত হয়নি

প্রকাশিত:

আবু বকর সিদ্দিকী।।

বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা অর্জন করতে পারলেও সবার জন্য পুষ্টি নিশ্চিত করতে পারেনি বলে মত প্রকাশ করেছেন ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক শেনগেন ফ্যান।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে ইন্সটিটিউটের ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশের ৫ বছরের কম বয়সের ৩৬ শতাংশ শিশুর অপুষ্টিজনিত কারণে স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, ‘১৯৯০ থেকে ২০১৪ সময়কালে বাংলাদেশে ক্ষুধার্ত মানুষের সংখ্যা অর্ধেকে নেমে এসেছে। আমি আশা করি বাংলাদেশ সরকার অপুষ্টিতে ভোগা মানুষের সংখ্যা ২০২৫ নাগাদ শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনতে সক্ষম হবে।’

আলোচনায় আরও বলা হয়, সরকারের উচিত উন্নয়ন উদ্যোগের সঙ্গে গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিবেদন ও সুপারিশগুলো আমলে আনা।

ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউটের বাংলাদেশ প্রতিনিধি আখতার আহমেদ বলেন, এর ফলে সর্বোৎকৃষ্ট অর্জন সম্ভব। তিনি আরও বলেন, ‘খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনেও বিভিন্ন গবেষণা প্রতিবেদন ও বিশ্লেষণ কাজে এসেছে’।

ক্রমোন্নতি প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশ মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলের আটটি লক্ষ্যের মধ্যে পাঁচটিই পূরণ করতে পেরেছে। দারিদ্র্য বিমোচন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষায় লৈঙ্গিক বৈষম্য দূরীকরণ, শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার কমানোর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য উন্নতি করতে পেরেছে।

তবে ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা, পুষ্টি নিশ্চিত করা, পয়ঃ নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করা, পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখা ও অন্যান্য অনেক ক্ষেত্রে লৈঙ্গিক সমতা বিধান করার ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে যেতে হবে বলে মনে করেন আলোচকরা।

উল্লেখ্য, ইন্টারন্যাশনাল ফুড পলিসি রিসার্চ ইন্সটিটিউট আরও কিছু অংশীদার নিয়ে ২০১৫ সালের মধ্যে বাংলাদেশের ক্ষুধা দূর করার জন্য ‘কম্প্যাক্ট ২০১৫’ নামে একটি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

 

/ইউআর/এফএ/

  

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।