বিকাল ০৫:২০ ; বৃহস্পতিবার ;  ২১ নভেম্বর, ২০১৯  

একনেকে অনুমোদন পেল রাজবাড়ী-টুঙ্গিপাড়া নতুন রেলপথ

প্রকাশিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।।

দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের জনগণের নিরপাদ ও আরামদায়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে রাজবাড়ী থেকে টুঙ্গিপাড়া পর্যন্ত নতুন করে রেলপথ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ জন্যে রেলওয়ের ‘কালুখালী-ভাটিপাড়া সেকশন পুনর্বাসন এবং কাশিয়ানী-গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া নতুন রেলপথ নির্মাণ’ প্রকল্প নামের একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। কালুখালী–-ভাটিপাড়া সেকশন পুনর্বাসন এবং কাশিয়ানী-গোপালগঞ্জ-টুঙ্গিপাড়া নতুন রেলপথ নির্মাণ প্রকল্পটির প্রথম সংশোধনী প্রস্তাবে ব্যয় ধরা হয়েছে ২ হাজার ২৩ কোটি ৭২ লাখ টাকা। ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে।

মঙ্গলবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) নিয়মিত বৈঠকে প্রকল্পটি অনুমোন দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেকের নিয়মিত বৈঠকে ৩ হাজার ৯৬১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৬টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয় বলে বৈঠক শেষে অপেক্ষমান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

এ সময় অন্যদের মধ্যে অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এমএ মান্নান, পরিকল্পনা কমিশনের সচিব শফিকুল আজম, পরিকল্পনা কমিশনের সিনিয়র সদস্য শামসুল আলম, ভৌত অবকাঠামো উন্নয়ন বিভাগের সদস্য আরস্ত খান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়েছে, প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ৩ হাজার ৯৬১ কোটি ৯৪ লাখ টাকার মধ্যে সরকারি অর্থায়ন ৩ হাজার ৮১৪ কোটি ৯৪ লাখ টাকা। সংস্থার নিজস্ব অর্থায়ন ১৪৭ কোটি টাকা।

প্রকল্পটি সম্পর্কে মন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান, জাতির লালিত স্বপ্ন পদ্মা সেতু। পদ্মা সেতুতে রেলপথ স্থাপনের জায়গা রাখা হয়েছে, এ কারণে আমরা সেতুর সঙ্গে সমান্তরাল হিসেবে রেললাইন নির্মাণ করতে যাচ্ছি। এটা অত্যন্ত ভালো একটি প্রকল্প। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ফরিদপুর রাজবাড়ী ও গোপালগঞ্জ জেলার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন ঘটবে।

একনেক বৈঠকে অনুমোদিত অন্য প্রকল্পগুলো হলো ২৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের আওতায়ধীন ৫টি অঞ্চলের প্রধানত ক্ষতিগ্রস্ত সি.সি. সড়ক উন্নয়ন’ প্রকল্প।

৩৬ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ব্যয়ে বিসিএসআইআর’র প্রযুক্তি হস্তান্তর ও উদ্ভাবন সংক্রান্ত ভৌত সুবিধাদী সৃষ্টি নামে একটি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ৪৪ কোটি ৬০ লাখ টাকা ব্যয়ে এক্সপ্যানশন অব বিসিএস, অ্যাডমিনিস্ট্রেশন একাডেমি বিল্ডিং অ্যান্ড এক্সটেনশন অব ট্রেনিং ফ্যাসিলিটিজ’ শীর্ষক প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশের নদী খননের জন্য ড্রেজার ও আনুষঙ্গিক যন্ত্র ক্রয়’ নামে প্রকল্পটির প্রথমে ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ৩০৯ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। এ ব্যয় থেকে ৪ শতাংশ কমিয়ে ১ হাজার ২৫৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকার প্রথম সংশোধনী প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

উন্নত জাতের বীজ উৎপাদন ও সংগ্রহের জন্য ছয়টি বিভাগের ৩৫টি জেলার ১৬৬ উপজেলায় ‘ধান, গম ও ভুট্টার উন্নতর বীজ উৎপাদন এবং উন্নয়ন’ নামে একটি প্রকল্প চালু হবে। প্রকল্পটিতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৫৩ কোটি ৪৫ লাখ টাকা।

/এসআই/এফএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।