সকাল ০৯:৪১ ; শুক্রবার ;  ১৯ জুলাই, ২০১৯  

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে ইইউ-ভিয়েতনাম

প্রকাশিত:

বিজনেস ডেস্ক।।

মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিতে আবদ্ধ হয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) ও ভিয়েতনাম। চুক্তিটি ২০১৭ সালের শেষ অথবা ২০১৮ সালের শুরুর দিকে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এর আওতায় ইইউ ও ভিয়েতনামের মধ্যকার বাণিজ্যের ক্ষেত্রে সব পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক বাতিল করা হবে। অঞ্চল দুইটির মধ্যে বার্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ প্রায় ২৮ বিলিয়ন ইউরো (৩০ বিলিয়ন ডলার)।

চুক্তি কার্যকর হওয়ার দিন থেকে ইইউ থেকে আমদানিকৃত সব পণ্যের ওপর ৬৫ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক মওকুফ করবে ভিয়েতনাম। আর পরবর্তী ১০ বছরে বাতিল করা হবে অন্যান্য সকল শুল্ক।

অপরদিকে, চুক্তি কার্যকরের পরবর্তী সাত বছরে ধাপে ধাপে ভিয়েতনামের পণ্যের শুল্ক শতভাগ মওকুফ করবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন।

তবে, ভিয়েতনামের সব তৈরি পোশাক পণ্যে নিজস্ব কাপড় ব্যবহারের ওপর বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে।

এ ছাড়া, চুক্তিতে ইউরোপের বাজারে অবৈধ পথে চীনা পণ্যের অনুপ্রবেশ ঠেকানোর বিষয়েও গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাণিজ্য বিষয়ক কমিশনার সিসিলিয়া মালমস্ট্রোয়েম বলেন, “প্রায় ৩ কোটি ১০ লাখ কর্মসংস্থান রফতানি বাণিজ্যের ওপর নির্ভরশীল ইউরোপ। এ পরিপ্রেক্ষিতে ভিয়েতনামের মতো উদীয়মান ও দ্রুত বর্ধনশীল বাজারে প্রবেশের সহজ পথ খুঁজে পাওয়া নিঃসন্দেহে ইইউয়ের জন্য সুখবর।”

তিনি আরও বলেন, “ইউরোপের বাজারে সহজ প্রবেশাধিকার ভিয়েতনামের অর্থনীতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

সমাজতান্ত্রিক দেশ ভিয়েতনাম, ২০১৪ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়নে রফতানি করেছিল ২২ বিলিয়ন ইউরোর পণ্য।

ইউরোপীয় কমিশন জানায়, ইইউতে ভিয়েতনামের রফতানি করা উল্লেখযোগ্য পণ্যগুলোর মধ্যে রয়েছে টেলিফোন, ইলেকট্রনিক পণ্য, পাদুকা, তৈরি পোশাক, কফি, চাল, সামুদ্রিক খাবার ও আসবাবপত্র।

অপরদিকে, ভিয়েতনামে রফতানি করা ইইউয়ের উল্লেখযোগ্য পণ্যগুলো হচ্ছে ইলেকট্রিক্যাল যন্ত্রাংশ, আকাশযান, যানবাহন ও ওষুধ।

উল্লেখ্য, ইইউর সঙ্গে এটি কোনো দক্ষিণ এশিয় দেশের দ্বিতীয় মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি। এর আগে অঞ্চলটিতে শুধু দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গেই এ ধরনের চুক্তি ছিল। এ ছাড়া, এ ধরনের চুক্তির বিষয়ে  জাপান ও মালয়েশিয়ার সঙ্গেও আলোচনা চালাচ্ছে ইইউ। সূত্র: বিবিসি।

/এফএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।