দুপুর ০১:৪৭ ; মঙ্গলবার ;  ১২ নভেম্বর, ২০১৯  

ভারতের খোলাবাজার থেকে বিদ্যুৎ কিনবে সরকার

প্রকাশিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।।

সিরাজগঞ্জে ৪০০ মেগাওয়াট দ্বৈত-জ্বালানি আইপিপি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনসহ ভারতের খোলাবাজার থেকে দৈনিক ৩০ থেকে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।

বুধবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সভাকক্ষে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’র বৈঠকে এ সংক্রান্ত দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয় বলে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদেও জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি জানান, বিল্ড-অন-অপারেট (বিওও) পদ্ধতিতে সিরাজগঞ্জে ৪০০ মেগাওয়াট দ্বৈত-জ্বালানি ভিত্তিক আইপিপি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ২২ বছর মেয়াদি এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি যৌথভাবে  নির্মাণ করবে সিঙ্গাপুরভিত্তিক কোম্পানি সেম্বকর্প ইউটিলিটিজ পিটিই লিমিটেড ও বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান নওপাজেকো লিমিটেড।

দুই বছর পর এ বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে ২৮২ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ এবং তিন বছর পূর্ণ হলে এখান থেকে পুরো ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়া যাবে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।

অতিরিক্ত সচিব জানান, বিদ্যুৎকেন্দ্রটিতে জ্বালানি হিসেবে গ্যাস ব্যবহারে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুতের ট্যারিফ মূল্য হচ্ছে ৩ টাকা ১৯ পয়সা। এইচএসডি ব্যবহারে প্রতি কিলোওয়াট ঘণ্টা বিদ্যুতের ট্যারিফ মূল্য হচ্ছে ১৩ টাকা ৫৭ পয়সা।

অতিরিক্ত সচিব জানান, বৈঠকে দ্বি-পাক্ষিক চুক্তির আওতায় ভারতের খোলাবাজার থেকে ৩০ থেকে ৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ ক্রয়ের জন্য ‘লিমিটেড টেন্ডারিং পদ্ধতির মাধ্যমে ভারতের দু’টি কোম্পানি এনভিভিএন ও পিটিসি-এর কাছ থেকে দরপত্র আহ্বানের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আগেও এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। পূর্বের প্রস্তাবে এজেন্ট চার্জসহ বিদ্যুতের মোট মূল্য ধরা হয়েছিল ৫৭ কোটি ৪৫ লাখ টাকা থেকে ২৩১ কোটি ৮ লাখ টাকা।

এ ছাড়া বৈঠকে আরও দু’টি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৭৯ কোটি ৮৯ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘অভ্যন্তরীণ নৌপথের ৫৩টি রুটে ক্যাপিটাল ড্রেজিং’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় কাটার সাকশন ড্রেজার দ্বারা গাগলাগড়-মোহনগঞ্জ অংশের নাব্যতা উন্নয়ন কাজের ঠিকাদার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। কাজটি যৌথভাবে পেয়েছে  এএমডিএল-এডিএল।

অতিরিক্ত সচিব জানান, সাউথ এশিয়ান সাব-রিজিওনাল ইকোনমিক কো-অপারেশন (সাসেক) সংযোগ সড়ক উন্নয়নের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর আওতায় জয়দেবপুর-চন্দ্রা-টাঙ্গাইল-এলেঙ্গা (ঢাকা-টাঙ্গাইল) অংশের ৭০ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করাসহ ধীরগতি যানবাহনের জন্য পৃথক লেন, ৫টি উড়াল সড়ক, ২৬টি ব্রিজ, ৬০টি কালভার্ট নির্মাণ করা হবে। তিনটি লটে বিভক্ত এ কাজটি সম্পন্ন করতে তিনটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ২ হাজার ৫০ কোটি টাকা।

/এসআই/এফএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।