সকাল ১০:২২ ; বুধবার ;  ১৩ নভেম্বর, ২০১৯  

একনেকে ৯ প্রকল্প অনুমোদন

প্রকাশিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।।

পূর্বাচলে স্থায়ী আন্তর্জাতিক বাণিজ্যমেলা কেন্দ্র স্থাপনসহ ৯ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এগুলো বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ৩ হাজার ৩৬৮ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিলের রয়েছে ২ হাজার ৩৭৯ কোটি ৩১ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব তহবিলের ৩২ কোটি ১৩ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তার ৯৫৭ কোটি ১৯ লাখ টাকা।

মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হচ্ছে অগমেন্টেশন অব গ্যাস প্রোডাকশন আন্ডার ফাস্ট ট্র্যাক প্রোগ্রাম প্রকল্প, এটি বাস্তায়নে মোট ব্যয় ১ হাজার ৩০০ কোটি ৫০ লাখ টাকা। সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভার জন্য বেলারুশ হতে মেশিনারিজ ও যন্ত্রপাতি সংগ্রহ প্রকল্প, এর ব্যয় ৪২০ কোটি ২৯ লাখ টাকা। বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সবিশন সেন্টার নির্মাণ প্রকল্প, এর ব্যয় ৭৯৬ কোটি ১ লাখ টাকা। পীরগঞ্জ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন প্রকল্প, এর ব্যয় ১০৭ কোটি ৪৮ লাখ টাকা। জামালপুর টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ স্থাপন প্রকল্প, এর ব্যয় ১১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্প, এর ব্যয় ১৯৫ কোটি টাকা। ভূ-গর্ভস্থ সেচ নালা নির্মাণের মাধ্যমে সেচ দক্ষতা বৃদ্ধি প্রকল্প, এর ব্যয় ১৩৬ কোটি ১৬ লাখ টাকা।

কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলাধীন ফিলিপনগর, আবেদর ঘাট ও ইসলামপুর এলাকায় পদ্মানদীর ডান তীর সংরক্ষণ প্রকল্প, এর ব্যয় ৮৩ কোটি ৫২ লাখ টাকা। বৃহত্তর কুমিল্লা জেলায় মৎস্য উন্নয়ন প্রকল্প, এর ব্যয় ২১৮ কোটি ২৪ লাখ টাকা।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান, পরিকল্পনা সচিব সফিকুল আজম, পরিংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব কানিজ ফাতেমা এবং সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সিনিয়র সদস্য ড. শামসুল আলম।

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, “শেরেবাংলা নগরে বর্তমানে বাণিজ্যমেলা যেখানে হয় সেখানে সচিবালয় হওয়ার কারণে সেখানে আর বাণিজ্য মেলা করা যাবে না।”

বাণিজ্যমেলার জন্য স্থায়ী কেন্দ্র স্থাপন প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পণ্য প্রস্তুতকারী ও রফতানিকারকরা তাদের পণ্য প্রদর্শনের সুযোগ পাবে। ফলে বাণিজ্যের উৎকর্ষ সাধনের সুযোগ বাড়বে।

তিনি জানান, ছিটমহলের মানুষের জন্য দ্রুত প্রকল্প নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রাথমিকভাবে রাস্তাঘাট, কমিউনিটি ক্লিনিক, উপাসনালয় এবং বিদ্যুৎ সুবিধা দেওয়ার জন্য তিনি নির্দেশ দিয়েছেন। এ ক্ষেত্রে তিন মাসের মধ্যে বিদ্যুৎ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

/এসআই/এফএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।