সন্ধ্যা ০৭:১৬ ; বৃহস্পতিবার ;  ১৮ জুলাই, ২০১৯  

ফ্রিজ ব্যবহারের টুকিটাকি

প্রকাশিত:

লাইফস্টাইল ডেস্ক।।

  • ফ্রিজ রাখার জায়গা এমন ভাবে নির্বাচন করুন যেন স্বাচ্ছন্দ্যে দরজা খোলা এবং লাগানো যায়। একেবারে দেয়াল ঘেঁষে ফ্রিজ রাখা উচিত নয়। যথাসম্ভব খোলামেলা জায়গায় রাখুন ফ্রিজ। তবে সরাসরি রোদ লাগে এমন স্থানে রাখবেন না ।
     
  • অপরিষ্কার ফ্রিজে খাবার রাখলে ব্যাকটেরিয়ার আক্রমনে নষ্ট হয়ে যায়।  তাই নিয়মিত ফ্রিজ পরিষ্কার করা জরুরি।
     
  • ফ্রিজ পরিষ্কার করার আগে তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণকারী নবটি বন্ধ করে নিন। তারপর সব খাদ্যদ্রব্য বের করে নিন ফ্রিজ থেকে। ফ্রিজ যদি ডি-ফ্রস্ট হয় তবে সুইচ বন্ধ করার পর বরফ গলে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। ফ্রিজের ট্রে, ড্রয়ার ও অন্যান্য অংশ খুলে বের করে নিন। হালকা কুসুম গরম পানিতে লিকুইড সোপ মিশিয়ে খুলে রাখা তাক, ড্রয়ারসহ ভেতরের অংশগুলো পরিষ্কার করুন। ফ্রিজের বাইরের অংশ পরিষ্কার করার জন্য ভিনেগার বা মাইল্ড ধরনের ক্লিনার ব্যবহার করতে পারেন। শেষে ঠাণ্ডা পানিতে সবকিছু ধুয়ে খুব ভালো করে মুছে নিন। চালু করার ১৫ মিনিট পর খাবার রাখবেন ফ্রিজে।
     
  • ফলমূল শাকসবজি, ডিম আলদা আলাদা করে সংরক্ষন করুন ফ্রিজে।
     
  • ফ্রিজে খাবার আলগা রাখবেন না। এতে এক খাবারের গন্ধ ছড়িয়ে পরে অন্য খাবারে। রান্না করা খাবার এয়ারটাইট কনটেইনারে ঢুকিয়ে ফ্রিজে রাখুন।
     
  • ফ্রিজে চাপাচাপি করে খাবার রাখবেন না কখনোই। এতে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়
     
  • সবজি প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরে রাখলে বেশি দিন টাটকা থাকে। তবে এক সপ্তাহের বেশি শাকসবজি ফ্রিজে রাখা উচিত নয়। শাকের আঁটি খুলে ও যে সব সবজির মূল আছে সেগুলো কেটে তারপর রাখুন ফ্রিজে। কাঁচা মরিচের বোঁটা ফেলে পলিথিনে করে রাখুন। ভালো থাকবে অনেক দিন।
     
  • দুধ মুখ বন্ধ প্লাস্টিকের বোতলে রাখুন।
     
  • মাছ মাংস সংরক্ষনের ক্ষেত্রে চর্বি ও ময়লা ফেলে দিয়ে তারপর রাখুন ফ্রিজে। প্রতিদিনের জন্য আলাদা আলাদা করে ভাগ করে রাখতে পারেন মাছ কিংবা মাংস। এতে ঝক্কি কমবে ও খুঁজে পেতে সহজ হবে। রান্না করার অন্তত ১৫ মিনিট আগে ডিপ ফ্রিজ থেকে মাছ মাংস বের করবেন।
     
  • রান্নাঘরে কিংবা চুলার পাশে ফ্রিজ রাখবেন না। এতে তেল চিটচিটে হয়ে যেতে পারে।
     
  • ফ্রিজের যে ড্রয়ারে পানি জমে তা নিয়মিত পরিষ্কার করা উচিত।
     
  • ফ্রিজের উপর কখনও ভারি জিনিস রাখবেন না।
     
  • বারবার ফ্রিজ খোলা ও বন্ধ করা অনুচিত। এতে বাইরের বাতাস ফ্রিজে ঢুকে খাবার নষ্ট করে দেয় দ্রুত। যা ফ্রিজে রাখা প্রয়োজন সব হাতের কাছে গুছিয়ে তবেই খুলবেন ফ্রিজ।
     
  • গরম খাবার কখনও ফ্রিজে রাখবেন না। রান্না করা খাবার স্বাভাবিক তাপমাত্রায় এনে তারপর রাখুন ফ্রিজে।
     
  • ফ্রিজের দুর্গন্ধ দূর করতে এক কোণে খাবার সোডা রাখতে পারেন। এছাড়া সামান্য ভিনেগার এক টুকরো কাপড়ে মেখে ফ্রিজে রেখে দিন। এক চাকা লেবু কেটে রাখলেও মুক্তি পাবেন দুর্গন্ধ থেকে।
     
  • বছরে একবার ইলেকট্রিক সংযোগ বন্ধ করে ফ্রিজের পিছনে বা নিচে থাকা কয়েল পরিষ্কার করুন। নরম ব্রাশ বা ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করতে পারেন কয়েল।
     
  • মাঝে মাঝে দেখা যায় ফ্রিজ চালু থাকলেও খাবার ঠাণ্ডা হয় না। সেক্ষেত্রে প্রথমেই লক্ষ্য করুন টেম্পারেচার সুইচ প্রয়োজন মতো বাড়ানো আছে কিনা। অনেক সময় দরজায় লাগানো প্লাস্টিকের প্যাডে ফাটল ধরলেও এ সমস্যা হতে পারে। প্রয়োজনে সার্ভিসিংয়ে দিন।

 

/এনএ/ আরএফ 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।