সকাল ১০:২২ ; রবিবার ;  ২১ এপ্রিল, ২০১৯  

ছাদে যাত্রী বেশি তাই ট্রেনের ধীরগতি আর শিডিউল বিপর্যয়

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।।

আপনজনের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়ি যেতেই হবে। তাই ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনে ছাদে উঠতে আপত্তি নেই যাত্রীদের। শেষ মুহূর্তে যেভাবেই হোক বাড়ি ফিরতেই হবে। তবে গত কয়েকদিনের চেয়ে শুক্রবার বেশি মানুষ ট্রেনের ছাদে দেখা গেছে। ঝুঁকি নিয়ে ছাদে উঠা বন্ধ করতে পারছে না রেল কর্তৃপক্ষ। বরং কোনও কোনও ক্ষেত্রে রেলওয়ের নিরাপত্তাকর্মীদের টাকা দিয়ে অতিরিক্ত যাত্রী হয়ে ট্রেনের ছাদে উঠার সুযোগ মিলছে। সেখানে পুলিশ, র‌্যাব থাকলেও ঝুঁকি নিয়ে যাওযা যাত্রীদের নিয়ে তাদের তৎপরতা নেই। অন্যদিকে গত কয়েকদিনের চেয়ে আজকে অনেক বেশি ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়ে যাত্রীদের বাড়িয়েছে দুর্ভোগ। প্রায় প্রতিটি ট্রেন কমপক্ষে দুই ঘণ্টা দেরি করে ছাড়ছে। এরমধ্যে নীলসাগর এক্সপ্রেস ছেড়েছে ৩ ঘণ্টা, সুন্দরবন ১ ঘণ্টা ৪৫, চাপাই(ফাইভ আপ) ৩ ঘণ্টা, উপকূল ২ ঘণ্টা ৫৫ মিনিট এবং প্রভাতী ১ ঘণ্টা ৫০ মিনিট দেরিতে ছেড়েছে।

যাত্রীদের সুবিধার্থে চলতি ট্রেনগুলোর মোট টিকিটের ২০ শতাংশ আসনবিহীন টিকিট বিক্রি করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। এজন্য এই টিকিটের জন্য কাউন্টারে ভিড় ছিল। অতিরিক্ত যাত্রী ছাদে উঠায় ট্রেনের গতিও কমানো হয়েছে, একারণেও শিডিউল বিপর্যয় বলে মনে করছেন কমলাপুর স্টেশনের ম্যানেজার শিতাংশু চক্রবর্তী। তিনি বলেন, আজ বন্ধের দিন আর কাল ঈদ হতে পারে তাই মানুষের ভিড় বেশি। যারা টিকিট পাননি তারা ঝুঁকি নিয়ে ছাদে উঠছেন। যাত্রীদের বোঝানোর চেষ্টা করলেও লাভ হয়নি। কেউ বাধা মানছে না। এ কারণে ট্রেনের গতি কমছে। ট্রেন সময় মতো আসলেও ছাড়া যাচ্ছে না।

/সিএ/ এএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।