রাত ০৯:২৫ ; বৃহস্পতিবার ;  ১৭ অক্টোবর, ২০১৯  

বায়তুল মোকাররমের ফুটপাতে দৈনিক সাড়ে ৭ লাখ টাকার ব্যবসা

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।।

রমজান মাসে জমজমাট ছিল রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ সংলগ্ন ফুটপাতের ঈদ বাজার। জানা গেছে, প্রায় ৫০টি ফুটপাতের ব্যবসায়ীরা গড়ে প্রতিদিন ১৫ হাজার টাকার টুপি, আতর, হিজাব, তাসবিহ ও জায়নামাজ বিক্রি করেছে। রমজান মাসে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৭ লাখ টাকার ব্যবসা করেছেন তারা।

আগের বছরের তুলনায় বিক্রি বেড়েছে না কমেছে এমন প্রশ্নের জবাবে বায়তুল মোকাররমের ফুটপাতের ব্যবসায়ী মো. ইব্রাহিম বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘আমি সারা বছর এখানে ব্যবসা করি। এবার রোজায় ভেবেছিলাম গত বছরের তুলনায় ব্যবসা আরেকটু বেশি হবে।তবে তা হয়নি।তারপরও আমি তাসবিহ, রুমাল, পাগড়ি, জায়নামাজ ও হিজাব প্রতিদিন বিক্রি করেছি প্রায় ১৫ থেকে ১৭ হাজার টাকার।কোনও কোনও দিন আবার বিক্রি বেড়ে ২০ হাজার পর্যন্ত হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বাকি বছরের ব্যবসা পুষিয়ে নিতে পারি এই রোজার ঈদে।এসময় আমাদের একটু বাড়তি আশা থাকে।তবে যা বেচা-বিক্রি করেছি তাতে আমি মহান আল্লাহ্র কাছে শুকরিয়া জানাই।’   

পাকিস্তানের তৈরি শাহিন জায়নামাজ, তুরস্কের তৈরি আইরিন ও সাফাটেক্স জায়নামাজ সর্বনিন্ম ৩৫০ টাকা থেকে সারে ১২শ’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে চায়নিজ ও পাকিস্তানের তৈরি পাথরের তাসবিহ, যেমন ক্রিস্টাল, ক্যাচরাই ও রেডিয়ামের বেশি চাহিদা রয়েছে। একেকটি তাসবিহ ১ শ’ থেকে শুরু করে ১২০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।এছাড়া ছোট ও বড় হিজাব ১৫০ টাকা থেকে ৩৫০ টাকা পর্ন্ত বিক্রি হচ্ছে বলে জানান তিনি।

আতর ব্যবসায়ী মো. রবিউল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘পাকিস্তানের তৈরি গুলজার, মুখারলাখ, দুবাইয়ের তৈরি বাখুর, ওউড আতর সারে ৬ শ’ থেকে ২২ শ’ টাকা পর্ন্ত বিক্রি হচ্ছে।কারণ এগুলোর মান ও গন্ধ অনেক ভালো।’

আরেক টুপি ব্যাবসায়ী মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশ, চায়না, তুরস্ক, ভারত ও সৌদি আরব-এর টুপি বিক্রি করছি।তবে সৌদি আরবের ভোগিস টুপির চাহিদা বেশি।যা বিক্রি হচ্ছে ৪ থেকে ১২  শ’ টাকা পর্যন্ত।’

এছাড়া ভারতের কাশ্মির ও গুজরাটের টুপি ২ থেকে সারে ৩  শ’ টাকায়  বিক্রি করছি।তারপরও আমাদের দেশি টুপির চাহিদা মানুষের কাছে একটু বেশি বলে বলে জানান তিনি।

এসআইএস/এসএস/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।