রাত ০৯:২৭ ; বৃহস্পতিবার ;  ১৭ অক্টোবর, ২০১৯  

মুশফিক ঈদ করবেন চট্টগ্রামে, সাকিব-তামিম ঢাকায়

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

রায়হান মাহমুদ।।

ভিন্ন এক আমেজে এবার ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার ও মান্যবর বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে খেলা ফুটবলাররা। এক কথায় বলা যায়, তারা ঈদের আনন্দটা পুরোপরি উদযাপন করতে পারছে না খেলার জন্য। তড়িঘড়ি করে কেউ হয়তো নিজ আবাসে ফিরবেন কিন্তু সেখানে স্বস্তির কোনও অবকাশ তারা পাবেন না। কারণ ২০ জুলাই থেকে যথারীতি পুরো অনুশীলন করতে হবে সবার। চট্টগ্রামে জাতীয় ক্রিকেট দল দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম টেস্ট খেলবে ২১ জুলাই থেকে আর প্রিমিয়ার লিগে আছে বড় ম্যাচ। শিরোপাধারী শেখ জামাল মুখোমুখি হবে শেখ রাসেলের, আবাহনী-ব্রাদার্স ম্যাচও আছে একই দিনে।

চট্টগ্রামে থাকা জাতীয় ক্রিকেটারা আজও পুরোদমে অনুশীলন করেছে এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে। তারপর মিলেছে দুদিনের ছুটি। কেউ কেউ ফিরছেন ঢাকায়, কেউ আবার চট্টগ্রামেই ঈদ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন । মজার ব্যাপার হলো চট্টগ্রামের ছেলে, স্থানীয় ভাষায় ’চিটাগাংইয়া ফোয়া’ তামিম ইকবাল চট্টগ্রামে ঈদ করছেন না। তিনি ঈদ করবেন ঢাকায়।

চট্টগ্রামে ঈদ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সাবেক অধিনায়ক ও উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিম, অলরাউন্ডার মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ, পেসার রুবেল হোসেন, উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান লিটন কুমার দাস, পেস সেনসেশন মুস্তাফিজুর রহমান ও অফস্পিনার তাইজুল ইসলাম। মমিনুল হকের বাড়ি চট্টগ্রামেই। সেক্ষেত্রে তিনি পাচ্ছেন কিছুটা বাড়তি সুবিধা। সাকিব আল হাসান, সৌম্য সরকার, নাসির হোসেন, মো. শহীদসহ বাকিরা সবাই চট্টগ্রাম ছেড়েছেন নিজ পরিবার পরিজনের সঙ্গে সামান্য হলেও সময় কাটানোর জন্য। ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজনও ফিরছেন ঢাকায় তবে মাথায় ঘুরছে আবার চট্টগ্রামে ফেরার ব্যাপারটা। ’২০ তারিখে তো নেটে থাকতেই হবে সবাইকে, সেই ব্যাপারটাই বারবার মাথায় আসছে, তাছাড়া কোনও খেলোয়াড় যাতে সমস্যায় না পড়ে সে ব্যাপারটিও তো দেখতে হবে’ বললেন সুজন।

এদিকে ক্ষেপে আছেন ফুটবলাররা, তারা দোষারোপ করছেন ফুটবল ফেডারেশনকে। এমনকি আগমীবার যাতে রমজানে খেলা না হয় সে ব্যাপারে বাফুফেকে সম্মিলিতভাবে একটি চিঠি দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। উল্লেখ্য, বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপ ও ফিফা বিশ্বকাপ বাছাইয়ের জন্য প্রায় দুই মাস পিছিয়ে যায় ঘরোয়া ফুটবলের সূচনা, যার ভোগান্তিতে আছেন ফুটবলাররা।  

আবাহনীর মিডফিল্ডার তৌহিদূল আলম বললেন ‘আমরা ক্যাম্পে আছি প্রায় ছয় মাস, এর মাঝে তেমন কোনও বড় ছুটি পাইনি, এরপর ঈদটাও করতে পারছি না বাবা-মার সঙ্গে। ব্যাপারটা ভালো লাগছে না, খুবই বিরক্ত লাগছে ।’

দক্ষিণ আফ্রিকাকে অন্যসময় আনা যেত না কারণ আন্তর্জাতিক সময়সূচিতে আর কোনও ফাঁকা সময় ছিল না তাদের। আর বাফুফে তার ক্যালেন্ডার সমন্বয় করতে পারেনি, তাই জাতীয় ক্রিকেটার ও প্রিমিয়ার ফুটবল লিগের ফুটবলারদের এবারের ঈদটা আটকে গেছে ভিন্ন এক আবর্তে।

/এআর / এএইচ /

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।