দুপুর ০২:৪৩ ; শুক্রবার ;  ১৮ অক্টোবর, ২০১৯  

নগদ সহায়তা বৃদ্ধিসহ ৩ দাবি জাহাজ রফতানিকারকদের

প্রকাশিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।।

রফতানিমুখী জাহাজ শিল্পের জন্য নগদ সহায়তা ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১৫ শতাংশে উন্নীত করা এবং এ সহায়তা আগামী ৫ বছর অব্যাহত রাখার দাবি জানিয়েছে জাহাজ শিল্প রফতানিকারকরা। পাশাপাশি, এ শিল্পের জন্য ২ হাজার কোটি টাকার দীর্ঘমেয়াদী তহবিল গঠন এবং ব্যাংক ঋণের সুদের হার একক অঙ্কে (সিঙ্গেল ডিজিট) নামিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।

‘অ্যাসোসিয়েশন অব এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড শিপবিল্ডিং ইন্ডাস্ট্রিজ অব বাংলাদেশ'-এর নেতারা অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতকালে এ দাবি করেন।

সংগঠনটির মহাসচিব মোঃ সাখাওয়াত হোসেনের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল দল বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

দাবির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, রাজনৈতিক অস্থিরতায় পরপর দুই বছর কিছু রফতানি আদেশ বাতিল হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন জাহাজ শিল্প সংশ্লিষ্ট মালিক ও শ্রমিকরা।

তিনি আরও বলেন, “রফতানিযোগ্য একটি জাহাজ নির্মাণে প্রায় ২০ কোটি টাকার প্রয়োজন হয়। বর্তমানে উদ্যোক্তাদের কাছে প্রায় ২০ থেকে ২৫টি জাহাজ রফতানির আদেশ রয়েছে। জাহাজ নির্মাণ অনেক ব্যয়বহুল হওয়ায় কার্যাদেশের চাহিদা অনুসারে কাজ করা মতো অর্থ উদ্যোক্তাদের হাতে থাকে না। ”

ব্যাংক ঋণের সুদহার বিষয়ে সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “প্রতিযোগী দেশ চীন, ভিয়েতনাম, ভারতের তুলনায় বাংলাদেশে শ্রম সস্তা। তবে, ঋণের উচ্চ সুদের হারের কারণে এখানে উদ্যোক্তাদের তহবিল ব্যয় (কস্ট অব ফান্ড) অনেক বেশি।”

তহবিল ব্যয় কমিয়ে আনতে তিনি, ব্যাংক গ্যারান্টির সুদের হার দেড় শতাংশ, দীর্ঘ মেয়াদী অর্থায়নের জন্য ৭ শতাংশ এবং চলতি মূলধনের ক্ষেত্রে ব্যাংক ঋণের সুদের হার সিঙ্গেল ডিজিটে নামিয়ে আনার দাবি জানান।

জাহাজ শিল্প মালিকদের দাবির বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, “নগদ সহায়তা ও তহবিল গঠনের বিষয়টি ভেবে দেখা হবে।” তবে, ব্যাংক ঋণের সুদের বাজার নির্ধারণ করে থাকে, ফলে এ বিষয়ে কিছু করণীয় নেই বলে জানান অর্থমন্ত্রী।

/এফএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।