সকাল ১০:৪৯ ; রবিবার ;  ২১ এপ্রিল, ২০১৯  

ঈদে শিশুদের মুখে হাসি ফোটাবে যে তরুণরা

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।

সামনে ঈদ। এই উৎসবকে কেন্দ্র করে এখন সাধ্যমতো কেনাকাটায় ব্যস্ত সবাই। কেউ নিজের জন্য আবার কেউ কিনছেন নিকটত্মীয় থেকে শুরু করে বন্ধু-বান্ধবদের জন্যও। কিন্তু সেই আনন্দের ছোঁয়া কি সকলে পায়? এতিম বা অসহায় শিশুদের ঈদ কী আমাদের মত আনন্দের হয়? বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই তা হয়তো সম্ভব হয়ে ওঠে না।

বলা হয়, ‘একজন মানুষ যা দেখে তা শুধুই স্বপ্ন আর কতকগুলো মানুষ মিলে যে স্বপ্ন দেখে তাই বাস্তবতা।’ সেই কথাকে সামনে রেখে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা এতিম শিশুদের জন্য নিজেদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে এসেছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনাইটেড ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির (ইউআইইউ) একঝাঁক উদ্যমী তরুণ। বিশ্ববিদ্যালয়টির সোস্যাল সার্ভিসেস ক্লাবের ব্যানারে তরুণ এই উদ্যমীদের লক্ষ্য এখন একটাই। এতিম শিশুগুলোর সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া।

এ লক্ষ্যে বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই কাজ শুরু করেছেন তারা। ধানমন্ডিতে অবস্থিত ইউআইইউ এর দুটি ক্যাম্পাসে খোলা হয়েছে টাকা সংগ্রহের বুথ। এখানে যে কেউ এসে অর্থ বা নতুন একটি জামা উপহার দিতে পারবেন কোনও এতিমের জন্য।

এ বিকষয়ে সোস্যাল সার্ভিসেস ক্লাবের প্রেসিডেন্ট আসিফ বলেন, নিজেদের আনন্দ নিশ্চিত করতে আমরা কখনও বিন্দুমাত্র পিছপা হই না। অনেকের অনেক কিছু থাকার পরেও আমাদের চাহিদার শেষ নেই। কিন্তু ভাবুনতো একজন এতিম শিশুর কথা, যে তার সামান্য চাহিদার কথা বলার জন্যতো কাউকে পায়না। আর এ কারণে তাদের না বলা চাহিদার কিছুটা অংশ পূরণ করতেই আমাদের এ চেষ্টা।

তিনি আরও বলেন, প্রথমে আমরা কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থ দিয়ে এতিমদের কাছে পৌছে দেওয়ার পরিকল্পনা করলেও পরে আমরা এ সিদ্ধান্ত থেকে প্রত্যাহার করেছি। এখন আমরা কয়েকটি এতিমখানায় নতুন পোশাক পৌঁছে দেব।

একটি শিশুর মনজয় করতে নতুন একটি উপহারই যথেষ্ট। তাই শুধু বিত্তশালী নয় সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদেরও ছোট্ট অবদান একসঙ্গে হাসি ফোটাতে পারে হাজারও এতিম শিশুর মুখে। প্রয়োজন একটু ভালবাসা আর আনন্দ ভাগাভাগির মানসিকতার।

/এআই/এসএম/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।