রাত ০৩:৫৯ ; মঙ্গলবার ;  ২৩ জানুয়ারি, ২০১৮  

কিশোরগঞ্জে লটকনের বাম্পার ফলন

প্রকাশিত:

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি।।

কিশোরগঞ্জে কুলিয়ারচরে লটকনের আবাদ বেড়েছে। জেলায় ১০ থেকে ১৫ বছর আগে বসত ভিটা বা বাড়ির আঙ্গিনায় কিছু লটকন গাছ দেখা গেলেও এখন এ দৃশ্যপট পাল্টে গেছে। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মানসম্মত লটকনের আবাদ করে এই এলাকার কৃষকরা লাভবান হচ্ছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে, কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচর উপজেলার আব্দুল্লাহপুর ও সালুয়া ইউনিয়নে চলতি মৌসুমে লটকনের বাম্পার ফলন হয়েছে। এই ২টি ইউনিয়নের প্রতিটি বাড়ির বসতভিটায় বা আঙ্গিনায় লটকনের চাষ হচ্ছে।

বাগান থেকে লটকন তোলার শেষ সময় পর্যন্ত প্রকৃতি অনুকূল থাকলে লটকন চাষিরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন বলে জানা গেছে। লটকন পাকতে শুরু করায় ইতোমধ্যেই গাছে গাছে চলছে ফল আহরণ। মৌসুমি ফলনকে কেন্দ্র করে প্রতিদিন কুলিয়ারচর বাজারে বসছে লটকনের হাট। এই বাজারে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসছে শত শত পাইকার ও খুচরা বিক্রেতা।

এলাকার অনেক চাষিদের আয়ের প্রধান উৎস এখন লটকন চাষ। শুধু লটকন বিক্রি করে চাষিরা তাদের সংসারের স্বচ্ছলতা আনতে সক্ষম হয়েছে। দিন দিন সম্ভাবনমাময় এই সুস্বাদু লটকনের চাহিদা বাড়ার কারণে অনেকে নতুন করে বাগান করতে শুরু করেছে।

সালুয়া গ্রামের লটকন চাষি সাকাউদ্দিন বলেন, কম খরচে অধিক লাভবান হওয়ায় লটকন চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন অনেকে। কারণ লটকনের একবার চারা লাগালে প্রতিবছর ফলন পাওয়া যায়। এছাড়াও এর কোনও সার, কীটনাশক ও পরিচর্যার প্রয়োজন হয় না।

কুলিয়ারচর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম বলেন, লটকন অত্যন্ত পুষ্টিকর ও সুস্বাদু ফল। লটকন চাষে খুব একটা যত্নের প্রয়োজন হয় না। ছায়াযুক্ত জমিতে লটকনের আবাদ করা যায় বলে কুলিয়ারচরে লটকনের আবাদ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। চলতি বছর লটকনের উৎপাদন ভাল দামও ভালো।

/এমডিপি/এএ/

 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।