রাত ১১:২৯ ; বৃহস্পতিবার ;  ১৮ এপ্রিল, ২০১৯  

সুই-সুতোর অন্যরকম গল্প

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

বাংলাট্রিবিউন রিপোর্ট ।।

বিছাহার, প্রেমফাঁস, মাছকাঁটা, সাগুদানা । কী আশ্চর্য এসব শব্দের বন্ধন!  শব্দগুলোর নিজস্বতা থাকলেও এগুলো আলাদাভাবে পরিচিত এক একটি সেলাইয়ের ফোঁড়। যার পেছনে আছে গুচ্ছগুচ্ছ মমতার গল্প। আর রয়েছে একজন উদ্যোক্তার গল্প। তিনি লিপি খন্দকার। বলতে চান বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সুই-সুতোর গল্প।

তরুণ প্রজন্মের কাছে বাংলার প্রাচীন সেলাই ও তার রূপ পৌঁছে দিতে রাজধানীর ইএমকে সেন্টারে শুরু হয়েছে সূচশিল্প বিষয়ক প্রদর্শনী ‘সিম্ফনি অব নিডল ওয়াক,২০১৫’। প্রজন্মের কাছে বাংলার এই ঐহিত্যটি পৌছে দেওয়ার গুরু দায়িত্বটি কাঁধে তুলে নিয়েছেন দেশের স্বনামধন্য ফ্যাশন হাউস বিবিয়ানার ডিজাইনার লিপি খন্দকার। তার কনসেপ্ট ও কিউরেশনে এ প্রদর্শনীতে স্থান করে নিয়েছে সূচিশিল্পনির্ভর শাড়ি, জ্যাকেট, শাল, স্কার্ফ, হ্যান্ডব্যাগ, বটুয়া, নেকলেস এবং ১০০ ধরনের সেলাইয়ের নমুনা। আর ১০দিনের আয়োজনটি জুড়ে আরও আছে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী সূচিশিল্পের নান্দনিক নমুনা ও চিরায়ত এবং সমসাময়িক পোশাকে তার প্রয়োগের শৈল্পিক উপস্থাপন। 

এ বিষয়ে লিপি খন্দকার বলেন,বিবিয়ানা জন্মলগ্ন থেকে এ লোকজ সূচিশিল্পের প্রতি আলাদাভাবে গুরুত্ব দিয়ে আসছে। এ সূচশিল্পীদের প্রতি অনেক দায়বদ্ধতার গল্পটাই প্রদর্শনীর মাধ্যমে বলতে চাইছেন লিপি খন্দকার।

এই প্রদর্শনীই শেষ নয়,  সূচশিল্পের আন্তর্জাতিক প্রসারে কাজ করে আসছেন তিনি।  তাই এবারের প্রদর্শনীতে বিবিআনার যে পসরা,তার মূল লক্ষ্য নতুন কোনও ডিজাইন প্রদর্শন নয়; বরং ক্যানভাস হিসেবে কাপড়কে ব্যবহার করা-যাতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে বাংলার প্রাচীন সেলাই ও তার বর্তমান রূপ। পোশাক কিংবা মোটিফের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে নতুন প্রজন্মের কাছে ঐতিহ্যকে পৌঁছে দেওয়াকে।  

গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এ প্রদর্শনীর উদ্ধোধন করেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত মার্সিয়া বার্নিকাট ও আক্কু চৌধুরী। এ সময় সম্মামনা দেওয়া হয় সেলাই শিল্পী মোঃ হারুন অর রশিদকে।

গত মঙ্গলবার থেকে শুরু হওয়া এ প্রদর্শনী দর্শকদের জন্য খোলা থাকবে আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত। চাইলেই ঢু মেরে আসতে পারেন। নতুবা ঢু মারুন www.facebook.com/Symphony of Needle Work

/এআই/এফএএন/

 

 

 

 

 

 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।