বিকাল ০৪:১৭ ; শনিবার ;  ১৪ ডিসেম্বর, ২০১৯  

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || নবম পর্ব

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

পূর্বপ্রকাশের পর

আড্ডায় থাকতে ভালো লাগে। আড্ডায় কথা বলতে ভালো লাগে না। আড্ডায় অন্যরা যে কথাগুলো বলেন, শুনতে ভালো লাগে। মাঝে-মাঝে দু-একটি শব্দ যুক্ত করে দেওয়া ছাড়া আড্ডায় মূলত আমার আর অন্য ভূমিকা নেই। আড্ডায় অনেকে প্রচুর কথা বলতে পছন্দ করেন, যেমন গল্পকার পারভেজ হোসেন, কথাসাহিত্যিক প্রশান্ত মৃধা। কবি শামীম রেজা। হামীম কামরুল হকও কিছুটা। প্রশান্ত তো এমন সব কাণ্ড করে বসেন, আড্ডায় বসলে আর কাউকে কথা বলারই সুযোগ দেন না। খেয়ালই থাকে না, সেখানে আরও অনেকে আছেন। উল্টোটা পারভেজ হোসেন। তিনি আড্ডার কেউ কথা না বললে তাকে প্রণোদনা যোগান; অংশগ্রহণে উৎসাহিত করেন। আর আড্ডায় কবি শামীম রেজা নির্দিষ্ট কোনো কথা নির্দিষ্ট করে শেষ করতে পারেন না। শুরু করার পরই প্রসঙ্গান্তরে চলে যান। শেষ পর্যন্ত দেখা যায়; যে কথাটি বলতে চেয়েছেন; সেই কথাটি রেখে আশপাশের আরও দশটা বিষয়ে কথা বলে শেষ করেছেন। দেখলাম কবি জহর সেনমজুমদার এবং রবিশংকর বল এসবে আলাদা। জহর সেনমজুমদার আড্ডায় বেশি কথা বলেন না। রবিশংকর বল না বললেই যেন বাঁচেন এমন অবস্থা। এমনও অনেকে আছেন, আড্ডায় উত্তেজনা ছড়ান বাক্যবাণে। এ মুহূর্তে কবি চঞ্চল আশরাফ এবং জাহিদ সোহাগের কথা বলতে পারি। এ দু’জনের সঙ্গে আড্ডায় অভ্যস্ত না হলে বিপত্তি ঘটার আশংকা থাকে। অভ্যস্ত হলে কোনো সমস্যা নেই।
কবি হেনরী স্বপনের বাড়ির আড্ডায় যতি টেনে এবং বরিশাল শহরের বইপাড়া ঘুরে আমরা সবাই ফিরে আসি সার্কিট হাউসে। কিছু পরে হেনরীও আসেন। এসে রুমে রুমে গিয়ে সকলের খোঁজ-খবর নেন। আমার ক্লান্ত লাগছিলো। একটু বিশ্রামের দরকার ছিলো। কিন্তু রেজা এসে হইহুল্লড় করে আবার সকলকে বের করেন। এখনো কিছুটা সময় আছে। জেলা প্রশাসক শেষ মুহূর্তে গাড়ি পাঠিয়েছেন। সুতরাং শেষবার আরেক চক্কর দেওয়া যেতে পারে বরিশাল শহর। কাগা (কবি জহর সেনমজুমদার) এসে আমাকে ডাকেন। আমার ইচ্ছা হয় না। মূলত ভ্রমণের ক্লান্তি নয়; ঘুমের ক্লান্তি। ভ্রমণে এবং নতুন জায়গায় আমি ঘুমাতে পারি না। সে হিসেবে চারদিন ঘুমহীন আছি। জহর সেনমজুমদার, রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী, হামীম কামরুল হক, শাহনাজ নাসরীন, জাহিদ সোহাগ-সহ আরও অনেকে জেলা প্রশাসকের গাড়ি নিয়ে ঘুরতে চলে যান। কোথাও কোন এক দীঘি দেখতে যাবেন। ঘুম নয়, চোখ বন্ধ করে বিছানায় আশ্রয় নেই। একটু পরেই ঢাকায় ফিরতে স্টিমারে উঠবো আমরা। কিন্তু চোখ বন্ধ করেও থাকতে পারি না। সার্কিট হাউসের তত্ত্বাবধানকারীরা রুম বুঝে নিতে চান। হেনরী তাদের সহযোগিতা করেন। 
এসবের মধ্যেই যারা ঘুরতে গিয়েছিলেন; তারা ফিরে আসেন। জহর সেনমজুমদার বললেন— কাগা, না গিয়ে মিস করেছো। বড় অপূর্ব সুন্দর যায়গা। মৃদু হাসি। আমার অবস্থা তখন এমন; একটি কথাও বলতে ইচ্ছে করছিলো না। কিন্তু রেজা ক্লান্তিহীন। এতো কিছুর মধ্যেও এ-রুমে ও-রুমে কবিতার আসর বসিয়ে যাচ্ছেন। কোথায় ঢাকা ফিরবো আমরা সেসবে পাত্তা না দিয়ে কবিতা নিয়েই মেতে আছেন। আমি কিছুটা অনুযোগ করলে বলেন; আরে থাম; আমাদের না নিয়ে স্টিমার ছেড়ে যাবে; এত্তোবড় সাহস! প্রয়োজনে রাত বারটা পর্যন্ত স্টিমার বসিয়ে রাখবো। এই হেনরী তুমি দেখো তো...!

দুই.
তবে স্টিমার ছাড়ার যথেষ্ট আগেই আমরা ঘাটে পৌঁছে যাই। ভ্যাপসা গরমে জবুথবু অবস্থা। স্টিমারে উঠলে হামীমকে বলি ওর আর আমার রুম বুঝে নিতে। ব্যবস্থা আগে থেকে সেরকমই। হামীম বুঝে নেয়। সবাই যে যার মতো বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। কিছু পরেই ফের জড়ো হয় রবিশংকর বল এবং জহর সেনমজুমদারের ভিআইপি কেবিনে। আমার আর এদিক-সেদিক ঘুরাঘুরি করতে ভালো লাগে না। প্রায় সকলেই এই কক্ষে। কেবিনের বারান্দায় যাই। কাগা কোন ফাঁকে সোহাগকে নিয়ে সেই বারান্দাতেই ধ্যানে বসে গেছেন। কেউ কথা বলি না। নদীর জলের দিকে তাকাই। ডিঙ্গি নৌকার দিকে তাকাই। অন্য স্টিমারগুলোর দিকে তাকাই। পেছনে বরিশাল শহরের দিকে তাকাই। হইহুল্লড় করে নানান দিকে ছুটতে থাকা ব্যস্ত মানুষগুলোর দিকে তাকাই। এতো এতো মানুষ দেখলে আমার মাথা চক্কর দেয়। এতো এতো মানুষ! কিলবিল করতে থাকা মানুষ। বিমান থেকে বহুবার ঢাকা শহরে গিজগিজ করতে থাকা মানুষের দিকে তাকিয়ে মনে হয়েছে ছোট ছোট পোকামাকড় কিলবিল করছে। এই দৃশ্যটি আমার মাথায় অনেক চিত্রকল্প তৈরি করে দেয়। একদিন ঠিক যথাস্থানে ব্যবহার করবো। রেজার হাঁক-ডাক থামে না। এদিক-সেদিক ছুটেই চলেছেন। সবার সবকিছু ঠিকঠাক আছে কি-না জেনে নিচ্ছেন। স্টিমারের লোকদের সঙ্গে কথা বলছেন রাতের খাবারের ব্যবস্থা নিয়ে। কি কি মেনু হবে সবার সঙ্গে কথা বলে অর্ডার করছেন। কে কখন খাবার চায় সেই মতে দল ভাগ করে সময় বলে দিচ্ছেন কখন কখন খাবার সরবরাহ করতে হবে।
আরেকদিকে আসর প্রস্তুত করে নিয়েছেন পারভেজ হোসেন। বার বার বলছিলেন; এই বোতলটিতো এখানে আসার কথা না। এটি আসলো কোথা থেকে? মানে নির্ধারিত বোতলের বাইরে অন্য বোতল দেখে কিছুটা বিরক্ত তিনি। যিনি বোতল পরিবর্তন করে ফেলেছেন তাকে পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে ওই বোতল নিয়েই আসর শুরু করেন পারভেজ হোসেন আর রবিশংকর বল। আমি আর রফিক-উম-মুনীর চৌধুরীও অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করি। কিন্তু কোথাও ভিতরে ভিতরে বিভ্রাট চলতে থাকে। যে যার মতো করে ছড়িয়ে ছিটিয়ে যায়। এরই মধ্যে জমে উঠেন পারভেজ হোসেন আর রবিশংকর বল। কিন্তু গল্প-উপন্যাস নিয়ে কথা বলতে বলতে দুজন যথেষ্ট দূরত্ব রচনা করেন। আমার ধারণা ছিলো যে যে দিকেই যাক, ঘুরে ফিরে এই কেবিনেই ফিরবেন। কিন্তু না। একটা পর্যায়ে দেখলাম কেউ আর ফিরছেন না। মানে আমি যাদের সঙ্গ চাইছিলাম। এরই মধ্যে রবিশংকর বল আমাকে ডেকে বললেন; চলো কবির আমরা খেয়ে নেই। কেবিন থেকে বাইরে গিয়ে ডাইনিং টেবিলে বসতে বসতে কিছুটা উষ্মার স্বরে বলেন; আচ্ছা বলোতো; পারভেজ এসব কি বলছে? এতো হতাশ মানুষ দিয়ে সাহিত্য সম্ভব না কবির। পারভেজ এতো হতাশ কেনো? সেই হতাশা অন্যদের মধ্যে ছড়াতে চাইবে কেনো? একখান উপন্যাসও না লিখে কথাসাহিত্য! অসম্ভব। তো তুমি লিখতে না পারলে আমি করবোটা কি? রবিশংকরের এসব কথায় আমি জবাব না দিয়ে চুপ থাকি। কারণ, যখন তিনি আর পারভেজ হোসেন কথাসাহিত্য নিয়ে কথা বলছিলেন তখন কোনো এক অস্বস্তির কারণে আমি আর রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী কেবিনের বারান্দায় চলে যাই। ফলে তাদের মধ্যে ঠিক কি কি কথা হয়েছে আমার জানা নেই। খেতে খেতে তারপরও একই কথা বলে যাচ্ছিলেন রবিশংকর বল। জীবনেতো এতো হতাশ মানুষ আমি দ্বিতীয়টি দেখিনি কবির! দ্রুত খাবার শেষ করে স্থান ত্যাগ করি।

তিন.

রাতের আলোমাখা নদী

পানে আমার হাতেখড়ি দারুণ বনেদী কায়দায়। অনেকটা আনুষ্ঠানিকভাবে আমাকে শেখানো হয় পানের নিয়ম-কানুন। শেখানো হয় স্থান এবং ব্যক্তির মাহাত্ম্। এসব কারণে; রীতি-স্থান-ব্যক্তি মেনে পানে অভ্যস্ত হয়ে উঠায় যেখানে-সেখানে, যার-তার সঙ্গে পানে অংশ নিয়ে আনন্দ পাই না। তারপরও সমাজে চলতে গেলে কতোখানে, কতোসময় ইচ্ছার বিরুদ্ধে কতো কি করতে হয়। করিও। কিন্তু মন আমার সেসবে সায় দেয় না; সেসব আসরে থাকে না। সেসব মানুষদের সঙ্গেও থাকে না। কেনো বললাম কথাগুলো— কারণ, আমার পছন্দের মানুষগুলো কেবিন থেকে চলে গেলে মূলত আমি অসহায় বোধ করি। আবার যখন দেখি ওরা আমাকে ডেকে নিলো না, তখন ভাবি ওরা নিশ্চয় ফিরে আসবে। পারভেজ হোসেন, রবিশংকর বল কিংবা রফিক-উম-মুনীর চৌধুরীর সঙ্গে পানে আমার অনাস্থা নেই। কিন্তু অপ্রয়োজনীয় অস্বস্তি জড়ো হয়ে আমার খুঁতখুঁতে স্বভাব প্রবল করে তোলে। অনেক সময় এমন হয়, পান করতে শুরু করলে বহুজনের মধ্যে থেকেও আমার একা হয়ে যেতে ভালো লাগে। একা একা ভাবতে ভালো লাগে। কথাবলা বন্ধ করে দিতে ভালো লাগে। কারো কথায় তিল পরিমাণ মনোযোগ না দিয়ে উদাস হয়ে যেতে ভালো লাগে। এসব ঠিক নয় জেনেও অসহায় হয়ে নিজের রুচির কাছে হার মানি।
আমি একা একা স্টিমারে এদিক-ওদিক হাঁটতে থাকি। মানুষের ভিড় অনেক কমেছে। প্রিয় মানুষগুলোর দেখা মেলে না কোথাও। ওরা কই গেলো! জলে স্টিমার চলতে থাকলে এক ধরণের কম্পন তৈরি হয়। এ কম্পন আমার ভালো লাগে না। বছর চারেক আগে যে বহুতল ভবনে আমার কর্মস্থল ছিলো, একদিন সন্ধ্যার আগে ভূমিকম্পে সে ভবন হেলতে-দুলতে থাকলে রীতিমতো আমি আমার সিট থেকে কাঁত হয়ে পড়ে যাই। ওই যে কম্পন আমার শরীরে গেঁথে যায় তা আজো দূর হয়নি। জলে চলতে থাকা স্টিমারে কম্পন তৈরি হলে আমার ভয় জাগে। এই বুঝি জলেও ভূমিকম্প সৃষ্টি হয়েছে। কাউকে কেনো জানি ফোন করতে ইচ্ছে হলো না। নাকি করেছিলাম! নাকি মাঝ-নদীতে ফোনের কানেকশন পাওয়া যাচ্ছিলো না! অভিমানে কিছুই মনে পড়ছে না। মনে মনে গুনগুন করতে থাকি; অভিমানেরও অপমান থাকে। অভিমান করি এমন থাকে না কেউ...! স্টিমারের একেবারে উপরে সারেং-এর পাশ ঘেষে দাঁড়াই। দাঁড়িয়ে এদিক-ওদিক তাকিয়ে আমার সবকিছু হাস্যকর লাগে। এই আমি; এই আমরা; এই বিশ্ব; এই ক্ষমতা; এই প্রসন্নতা-বিষণ্নতা বড় হাস্যকর। মহাবিশ্বে; মহাকাশে; মহাকালও আঁধারে...!
এটা ভাবনাতেই ছিলো না আমার আর হামীমের কেবিনে আসর গুলজার হচ্ছে। একা একা ঘুরতে ঘুরতে কেবিনে ফিরে গেলে দেখি আমার প্রিয় মানুষগুলো জড়ো হয়ে আছেন। কারো মুখে কথা নেই। বুদ হয়ে শুনছেন কবিতা। মাত্র তিন-চার দিনে আমার খুব প্রিয় হয়ে ওঠা মানুষ জহর সেনমজুমদার আওড়ে যাচ্ছেন—

একদিন মাঝরাতে মউচাকে ঢিল পড়ে; বন্ধ্যা ঋতু গিয়েছিল ভিজে
একদিন মাঝরাতে সাপেরাও দলবেঁধে ঢুকে যায় অঙ্কুরিত বীজে
একদিন মাঝরাতে জল স্থল বাঁশি নিয়ে কাটা মুণ্ডে বসে থাকে মন
একদিন মাঝরাতে মশারির গর্ভগৃহে শোনা যায় স্তব্ধ আলোড়ন
(ঢিলপড়ে/ভবচক্র; ভাঙাসন্ধ্যাকালে)

কবি জহর সেনমজুমদার পাঠ করছেন তার কাব্যগ্রন্থ ভবচক্র; ভাঙাসন্ধ্যাকাল  থেকে। আমি সামান্য শব্দ না করে কেবিনের বারান্দায় দাঁড়িয়ে কান পাতি। প্রিয় মানুষগুলোকে খুঁজে পেয়ে অভিমানেরা উড়ে যায়; মুছে যায়। কবিতামগ্ন হতে থাকি। কবিতায় ক্যাটালগ আমার পছন্দ না। কিন্তু কখনো কখনো পরিবেশ এবং পাঠ বিবেচনায় দেখলাম এই ক্যাটালগ কবিতাকে বড় মায়াবি করে তোলে। অন্তরে রেখাপাত করতে সহায়তা করে। রেজা কোন ফাঁকে আমার আর হামীমের কেবিনে কবিতার আসর বসালো প্রকৃত অর্থেই আমি জানি না। জানলে অস্বস্তি ঘিরে বসে থাকে কে? কার ঠেকা পড়েছে অন্যের বিকৃত মানসিকতার প্রতিদৃশ্য নিয়ে ক্লান্ত হয়!
সেই আসরে মূলত পাঠ করেন কবি জহর সেনমজুমদার তার সর্বশেষ কাব্যগ্রন্থ ভবচক্র; ভাঙাসন্ধ্যাকালে । আর কবি শামীম রেজা তার কাব্যগ্রন্থ ব্রক্ষ্মাণ্ডের ইসকুল । জহর সেনমজুমদার তার নতুন কাব্যগ্রন্থটিতে যথেষ্ট পরীক্ষা-নীরিক্ষা চালিয়েছেন। বহুভাবে ছন্দকে ভেঙে যুক্ত করে নতুন আঙ্গিক তৈরি করেছেন। অন্যদিকে আমি আগেই বলেছি কবি শামীম রেজার ট্রিলজি কাব্যগ্রন্থের একটি এই ব্রক্ষ্মাণ্ডের ইসকুল । যারা শামীম রেজার কবিতা না পড়ে; হুজুগে কথা বলেন, তাদের এই ট্রিলজি কাব্যগ্রন্থ পড়ে তবেই কথা বলা প্রয়োজন। জহর সেনমজুমদারের পাঠ শেষ হলে কিছু সময় শ্রোতাদের রেশ কাটে না। ভবচক্র বড় কঠোর-কঠিন বিশ্ববাস্তবতা। সেই রেশ নিয়েই আরেক ব্রক্ষ্মাণ্ডের কথা শোনাতে শুরু করেন কবি শামীম রেজা—

যতবার সমুদ্রের কাছে গেছি নীল ঘোড়ার সহিস ভেবে
সে আমায় পিঠে তুলে নিয়ে গেছে রেসে...

চলমান ঢেউয়ের দীর্ঘশ্বাসে দীর্ঘশ্বাসে কত কত বার
থমকে দাঁড়ায়েছি কান্নায়, ভেবেছি আন্দিজানের পথে বাবুরের
বিজিত ঘোড়া নাকি আমি? নাকি শেষ রেসে হেরে
যাওয়া ভ্রুনস্কির নতমুখ, বিপর্যস্ত চোখে দূরে কারেনিন! অদ্ভুত অদ্ভুত...  
                     
আগামী পর্বে শেষ...   

আগের পর্বগুলো পড়তে ক্লিক করুন—

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || অষ্টম পর্ব

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || সপ্তম পর্ব

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || ষষ্ঠ পর্ব

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || পঞ্চম পর্ব

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || চতুর্থ পর্ব

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || তৃতীয় পর্ব

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || দ্বিতীয় পর্ব

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || প্রথম পর্ব


                            

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।