রাত ০৫:২৮ ; শনিবার ;  ১৯ অক্টোবর, ২০১৯  

নরেন্দ্র মোদী গুজরাটে বিজিএমইএকে জমি দিচ্ছেন

প্রকাশিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট॥

তৈরি পোশাক শিল্প মালিকদের ৫০ একর জমি দেওয়ার জন্য ভারতীয় হাইকমিশনের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দিয়েছে বিজিএমইএ।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস মেনুফ্যাকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টাস অ্যাসোসিয়েশনের (বিজিএমইএ) সভাপতি আতিকুল ইসলামের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল রবিবার বিকেল সাড়ে ৫টায় ভারতীয় হাই কমিশনারের সঙ্গে দেখা করে এ প্রস্তাব দেন বলে জানা গেছে। বিজিএমইএ সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

নরেন্দ্র মোদি দেশে ফিরেই পোশাক মালিকদের অনুরোধ অনুযায়ী গুজরাটে ৫০ একর জমি বরাদ্দ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। নিজের রাজনীতির উৎসস্থল গুজরাটে জমি দিয়ে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের সেই চাওয়া পূরণ করছেন মোদি।

শনিবার ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশন কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভারতীয় হাই কমিশনার পঙ্কজ শরণ পোশাক মালিকদের এ তথ্য জানান।

তবে এ জন্য বিজিএমইএকে আনুষ্ঠানিকভাবে জমি বরাদ্দ চেয়ে প্রস্তাব পাঠানোর পরামর্শ দিয়েছে হাইকমিশন। এ পরামর্শের ভিত্তিতেই বিজিএমইএ নেতৃবৃন্দ আনুষ্ঠানিকভাবে আবেদন করেছে।

এ ব্যাপারে বিজিএমইএর সভাপতি আতিকুল ইসলাম বলেন, “বাংলাদেশ সফরে এলে নরেন্দ্র মোদির কাছে ওয়্যারহাউস ও ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার স্থাপনের জন্য গুজরাটে ৫০ একর জমি বরাদ্দ চেয়েছিলাম। শনিবার ঢাকায় অবস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের এক অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে জানতে পারি, এ ব্যাপারে তাদের সম্মতি রয়েছে।”

গত ৭ জুন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফরের সময় হোটেল সোনারগাঁওয়ে বাংলাদেশের একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দল তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এ সময় তারা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর কাছে ৫০ একর জমি দেওয়ার অনুরোধ জানান।

এফবিসিসিআই'র নবনির্বাচিত সভাপতি মাতলুব আহমাদের নেতৃত্বে ওই সাক্ষাতে বিজিএমইএ সভাপতি আতিকুল ইসলামসহ ব্যবসায়ীরা উপস্থিত ছিলেন।

আতিকুল ইসলাম বলেন, “এই ৫০ একর জমি পেলে বিজিএমইএ সদস্য ও অন্যান্যরা ২৫ মিলিয়ন ডলার নিয়ে ভারতে একটি কোম্পানি গঠন করবে এবং সেখানে ভারতের বৃহত্তম ওয়্যারহাউজ ও ডিস্ট্রিবিউশন সেন্টার স্থাপন করবে। এ ছাড়া বিজিএমইএ ভারতে এক হাজার রিটেইল শপও স্থাপন করবে। এ সব করা হলে দু’দেশের মধ্যে বিদ্যমান বাণিজ্যিক ঘাটতি অনেকাংশে কমবে।”

/এসআই/এফএইচ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।