রাত ১২:০২ ; শনিবার ;  ০৭ ডিসেম্বর, ২০১৯  

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || অষ্টম পর্ব

প্রকাশিত:

 

পূর্ব প্রকাশের পর

এই লেখার কোনো এক পর্বে লিখেছিলাম; প্রবলভাবে খুঁতখুঁতে বলে বহু বহু সম্পর্ক ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। কখনো কষ্ট লাগে। বুকের ভিতর হাহাকার জন্মে। আহা...বলে ফের নীরবতায় চলে যাই। যে নিঃসঙ্গতা মানুষকে বিপণ্ন করে তোলে; সেই নিঃসঙ্গতাকে উপভোগ করে আমি বেঁচে থাকি। সাহিত্যের পাগলামোয় জড়িয়ে যাদের সঙ্গে এই ঢাকা শহরে পথচলা শুরু করেছিলাম; দিন-রাত একাকার করেছিলাম; জীবনবাজি ধরতে প্রস্তুত ছিলাম; তাদের প্রায় সকলেই এখন স্মৃতি। একটা পর্যায় পর্যন্ত পাশের মানুষগুলোর অসততা; অন্যায়; অবিবেচক কর্মকাণ্ডকে মেনে নিতাম এই বলে : ওরা আমার কাছের মানুষ। কিন্তু যেভাবে আমার গড়ে ওঠা; যেভাবে আমার মানসগঠন; দেখা যাচ্ছে অবচেতনে হলেও একটা পর্যায়ে আমি অসততাকে অসততা; অন্যায়কে অন্যায় বলেই বিবৃত করছি। গেলো গেলো বলে চারপাশ থেকে শোরগোল ওঠার পরও একা হেঁটে চলে যাই। কতো কতো দিন বিষয়গুলো ভাবতে গিয়ে নিজেকেই নিজে ধিক্কার দিয়েছি। বিড়বিড় করেছি; এড়িয়ে গেলেই তো হতো! এসব বিভ্রান্তি থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে দেয় লুইস বুনুয়েলের মাই লাস্ট ব্রেথ  গ্রন্থটি। এই গ্রন্থটি পাঠের পর বহুকিছু এখন আর আমি ভাবনায় জড়াই না। তারপরও কেউ যেচে পড়ে ঝামেলা পাকালে তার দায় আমাকে নিতে হবে কেন? কেন মুখ ফিরিয়ে সবকিছু মেনে নিতে হবে?
কেন লিখলাম এই কথাগুলো? লিখলাম এ কারণে; ভ্রমণ প্রকৃত অর্থে আমার অপছন্দ নয়। কিন্তু প্যাকেজ ভ্রমণ পছন্দ করি না। একইভাবে খুব নির্বাচিত বন্ধুদের বাইরে কোথাও নড়াচড়া করতেও পছন্দ করি না। রবিশংকর বল এবং জহর সেনমজুমদারকে কেন্দ্র করে বরিশালে যে ভ্রমণটায় জড়ালাম; তাতে দেবেশ রায়, সালমা বাণী, জাকির তালুকদার, আহমাদ মোস্তফা কামাল, কুমার চক্রবর্তী, মণিকা চক্রবর্তী, সাকিরা পারভীন এদেরও থাকার কথা ছিলো। রেজার আন্তরিকতায় সামান্য খুঁত ছিলো না। দেশের পরিবর্তিত পরিস্থিতি, কর্মক্ষেত্রের দায়িত্ব এবং কারো বা অসুস্থতার কারণে বহু কিছু পাল্টে যায়। যেমন পাল্টে যাই আমরাও। এই যে নামগুলো লিখলাম, এরাও যদি যুক্ত থাকতেন বরিশাল যাত্রায়, কী অসাধারণ হতে পারতো বিষয়গুলো আরও। ব্যক্তিগতভাবে আমি বঞ্চিত হয়েছি বলেই মনে করি। কারণ, তিনদিনের হইহুল্লুড়ের মধ্যেও এই মানুষগুলোকে আমার বার বার মনে পড়েছে। 

দুই.

বলা হয়, এই খুঁটি সেই সময়ের

স্থান পাল্টে গেলে ঘুমও পাল্টে যায়। বারো এপ্রিলের রাতটি মূলত চোখ বন্ধ করেই ছিলাম। তেরো এপ্রিল খুব ভোরে চোখ মেলে দেখি পাশে অঘোরে ঘুমাচ্ছেন জাহিদ সোহাগ আর হামীম কামরুল হক। আমার কাছে ঘুম হল পবিত্র প্রার্থনার মতো। কারো ঘুম ভাঙাতে মন চায় না। ঘুমালে মানুষগুলো আরো বেশি পবিত্র হয়ে উঠে। আমি বেড়াল পায়ে রুম থেকে বেরিয়ে আসি। সার্কিট হাউসে পিনপতন নীরবতা। কক্ষে কক্ষে যে যার মতো ঘুমিয়ে আছেন। নিচে নেমে সামনের লনে দুই চক্কর দিয়ে সিদ্ধান্ত নেই; সবাই ঘুম থেকে জেগে উঠার আগেই এই ভোরে যতোটা পারা যায় শহরটা ঘুরে দেখবো। করলামও তাই। সেই সময়টায় মনে হলো; নাহ! এই শহর এতোবেশি শান্ত, এখানে বড়জোর সাতদিন ভালো লাগবে। এর বেশি নয়। ভোর-প্রিয় মানুষগুলো পৃথিবীর সবখানে আছেন। তবে তাদের ধরন আলাদা। বরিশাল শহরের ভোর-প্রিয় মানুষগুলোর দিকে চেয়ে চেয়ে কিছু ঠাওর করতে পারিনি। কোথাও যেন একটা স্থবিরতা জড়িয়ে আছে। ঘণ্টাখানেক ঘোরার পর সার্কিট হাউসে ফিরে দেখি প্রায় সকলে উঠে পড়েছেন। আর কখন রেজা বেরিয়ে কোনো এক অসুস্থ আত্মীয়কে দেখতে চলে গেছেন টেরও পাইনি। মোবাইলে জানতে চাইলেন আমি ঘুম থেকে উঠেছি কি-না। তারপর বললেন; সবাইকে নিয়ে সকালের নাস্তা সেরে নিতে। রেজা ফিরে আসলেই সবাই যাবে জীবনানন্দ দাশের বাড়ি দেখতে। 
এখানে প্রসঙ্গক্রমে একটা কথা বলে রাখা ভালো; ‘পা’ সংক্রান্ত জটিলতা কিছুতেই আমাদের পিছু ছাড়ছে না। কলকাতা থেকে বাংলাদেশে আসার আগে জহর সেনমজুমদারের পা হঠাৎ করে ফুলে ঢোল হয়ে যায়। সেই অসুস্থ পা-র কারণে তার বাংলাদেশে আসাই বাতিল হয়ে যাচ্ছিলো প্রায়। একইভাবে বরিশাল আসার পর রবিশংকর বলের পায়েও সমস্যা দেখা দিতে থাকে। কথা ছিলো, বহরের একটা দল রবিশংকর বলকে নিয়ে তার পৈত্রিক ভিটা স্বরূপকাঠির মুনীনাগ গ্রামে যাবে। রেজাও বার বার বলছিলেন; এরপর আবার কবে কী হবে; এই যাত্রায়ই রবিশংকর বলকে মুনীনাগ গ্রাম ঘুরিয়ে আনা হবে। সেই মতে সব ব্যবস্থা পাকা করা হয়। কিন্তু আহা পা! পায়ের ব্যথা রবিশংকর বলকে আর মুনীনাগ গ্রামে যেতে দিলো না! নাস্তা সেরে সার্কিট হাউসে ফিরলে রেজাও ফিরে আসেন। একবার শুনলাম জেলা প্রশাসক আমাদের গাড়ির ব্যবস্থা করবেন। পরে খোঁজ নিয়ে জানা গেলো; তেমন ব্যবস্থা করা হয়নি। আমরা আমাদের ব্যবস্থায় জীবনানন্দের জন্মভিটার দিকে অগ্রসর হতে থাকি।

তিন. 

মুগ্ধতায় ছেদ পড়লে যন্ত্রণা অনেক। জীবনানন্দের কবিতায় যতোটা আমরা মুগ্ধ হয়ে আছি; বরিশালে তাদের বাড়িতে গেলে সেই মুগ্ধতায় ছেদ পড়বেই। বাংলাসাহিত্য; তথা বিশ্বসাহিত্যের অনন্য সম্পদ জীবনানন্দের জন্মভিটায় বস্তুত কোনো স্মৃতিচিহ্ন নেই। জহর সেনমজুমদার জীবনানন্দ গবেষক। তার বিখ্যাত গ্রন্থ অন্ধকারের চিত্রনাট্য  জীবনানন্দের কবিতা বিষয়ে আঁকরগ্রন্থ। আমার জানা নেই, জীবনানন্দের জন্মভিটায় পৌঁছার পর তার কেমন অনুভূতি হয়েছিলো। যিনি জীবনানন্দের কবিতার শিরায় শিরায় প্রবেশ করেছেন, বহুরৈখিক ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করেছেন, সেই তিনি জীবনানন্দের জন্মভিটায় পৌঁছার পর সবকিছু নাই হয়ে যাওয়া দৃশ্য দেখে কি ভেবেছিলেন তা জানতে পারলে ভালো হতো। রেজা ব্যস্ত হয়ে গলি, গলির মুখে ধানসিড়ির স্মৃতিফলক, সবসময় বন্ধ থাকা জীবনানন্দ পাঠাগার ও মিলনায়তন এবং গলির শেষ মাথায় যে পুকুরে জীবনানন্দ স্নান করতেন সেই পুকুর এখন ডোবা হয়ে যাওয়া আর একটি খাম্বা দেখিয়ে আমাদের উজ্জীবীত করার চেষ্টা করছিলেন, হেনরী স্বপন গলির প্রতিবেশিদের সঙ্গে বৃক্ষ ও ফুলের ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণ করছিলেন, কিন্তু আমাদের মন ভরে না। মুগ্ধতায় ছেদ পড়া যন্ত্রণা নিয়ে আমরা এদিক-ওদিক তাকাই। কোথাও জীবনানন্দকে খুঁজে পাই না। পাই শুধু দখল হয়ে যাওয়া স্মৃতির উপর গড়ে ওঠা নতুন বসত। সবখানে যেতে নেই। সবার কাছেও যেতে নেই। কিছু স্মৃতি; কিছু মুগ্ধতা ইচ্ছে করেই আয়ত্বের বাইরে রেখে দিতে হয়। ধরা ছোঁয়ার আড়ালে রাখতে হয়। জীবনানন্দের জন্মভিটায় পৌঁছার পর এমন এক অনুভূতির বিষণ্নতা আমাকে গ্রাস করে নেয়। তারপরও আমরা ডোবা দেখি, গলি দেখি, খাম্বা দেখি, স্মৃতি ফলক দেখি, বন্ধ থাকা পাঠাগার কাম মিলনায়তন দেখি, নতুন গড়ে ওঠা বসতও দেখি। দেখতে দেখতে ছবি তুলি। সেই ছবিকে সংরক্ষণ করি। এটাই হয়তো নিষ্ঠুরতার নিয়ম। তবে; জীবনানন্দ কবিতামুগ্ধ মানুষের অন্তরে বিশাল আসন পেতে বসে আছেন এটাই হয়তো সান্ত্বনা খোঁজার একটা উপায়।

বাড়ির ভেতরে ডোবা, আগে পুকুর ছিলো

আমাদের মনের এসব মিশ্র প্রতিক্রিয়ার মধ্যে বার বার শামীম রেজার ফোন বাজে। ফোন করছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক মুহম্মদ মুহসিন। জহর সেনমজুমদারকে নিয়ে ওই বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতে হবে। সেখানে ওই বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য বক্তৃতা করতে হবে সেন বাবুকে। শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকেরা তার জন্য অপেক্ষা করছেন। অলি-গলি হারিয়ে, অটোরিকশা ছেড়ে এক পর্যায়ে পায়ে হেঁটে আমরা পৌঁছে যাই বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে। আগের দিন জহর সেনমজুমদার বিষয় নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন কি নিয়ে তিনি কথা বলবেন। সেখানে তিনি কথা বলেছিলেন— বিনির্মাণ ভাববিশ্ব ও বাংলা উপন্যাস নিয়ে। সেই একই কাণ্ড। সেই একই হেমিলনের বাঁশিওয়ালা। চট করে আমার মনে পড়ে যায় জাঙ লাওশির (শিক্ষক জাঙ) কথা। মনে আছে, রিহার্সাল করানোর আগে তিনি রিহার্সাল রুমের বাতি বন্ধ করে আমাদের দশ মিনিট ইয়োগা করাতেন। এই দশ মিনিটের মধ্যে আমাদের সন্মোহিত করে তারপর শুরু করতেন রিহার্সাল। আমরা ভুলে যেতাম জগৎ-সংসার বলে কিছু আছে। বনে যেতাম জাঙ লাওশির হাতের পুতুল। কাঁদতে বললে কাঁদতাম, হাসতে বললে হাসতাম। অর্থাৎ যাই বলতেন তাই করতাম। কিন্তু সেন বাবু কাউকে ইয়োগা করান না। তার চেহারা, বলার ভঙ্গি, এমন এক সন্মোহন তৈরি করে যা ইয়োগার চেয়েও শক্তিশালী। সেন বাবু প্রায় দেড়ঘণ্টা বক্তৃতা করলেন। এই সময়টায় হলভর্তি একজন শিক্ষার্থীরও নড়াচড়ার শব্দ পর্যন্ত শোনা যায়নি। এই লেখা যারা পড়ছেন; প্রকৃত অর্থেই বলছি; যারা জহর সেনমজুমদারের বক্তৃতা শোনেননি তাদের বিষয়টি বোঝানো সত্যিই কষ্টকর। 

চার. 

আমাদের তাড়া আছে। ওইদিন সন্ধ্যায় আবার আমরা ফিরবো ঢাকায়। এর আগে যতোটা পারা যায় বরিশাল ঘুরে দেখে নিতে হবে। কিন্তু জহর সেনমজুমদারকে নিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের হওয়া যাচ্ছিলো না। দুপুরের খাবার আয়োজন করে অপেক্ষায় আছেন কবি হেনরী স্বপন এবং তার স্ত্রী। কে শোনে কার কথা। হাজারো প্রশ্নে শিক্ষার্থীরা আঁকড়ে থাকেন জহর সেনমজুমদারকে। সে এক দেখার মতো দৃশ্য। তিনি একটু একটু করে এগিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়তে চাচ্ছেন, আর শিক্ষার্থীরা হেমিলনের বাঁশিওয়ালার মতো তার পিছু পিছু এগুতে থাকে। কিছুতেই প্রশ্ন শেষ হয় না। মিষ্টি হেসে বাঁশিওয়ালাও বাঁশি বাজাতে থাকেন। অর্থাৎ অনর্গল প্রশ্নের উত্তর দিতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত আমরা জহর সেনমজুমদারকে নিয়ে হেনরী স্বপনের বাড়িতে আসতে সক্ষম হই। জীবনানন্দের বাড়ি থেকেই আমাদের বহর দু’তিন ভাগ হয়ে যায়। কেউ ফিরে যান সার্কিট হাউসে, কেউ যান নিজেদের মতো করে শহরটা ঘুরে দেখতে। আমরা ফের আবার একত্রিত হই হেনরী স্বপনের বাড়িতে। 

ফেরার আগে সবাই মিলে দুর্গা সাগরে

হেনরীর বাড়িতে গেলে একটা সুবিধা, যে কেউ সে বাড়িটিকে নিজের ভাবতে পারেন। ফলে আমাদের বহর দখল করে নেয় হেনরীর বাড়ি। কোনো কক্ষে কবিতার আড্ডা, কোনো কক্ষে গানের আসর, কোনো কক্ষে বিশ্রাম আর খোশগল্প। এই হল্লায় বৌদির রান্না করা রাজভোগ আমরা সাবাড় করি। এরই মধ্যে কে যেন একজন বলে উঠলেন, এই বাইরে অনেক মেঘ করেছে, চলো আমাদের এগুতে হবে। কে শোনে কার কথা। মেঘ করেছে করুক! বৃষ্টি হয় হোক। ঝড়-তুফান যা আসে আসুক। আড্ডা আরো জমতে থাকে। এই আড্ডার শেষ নেই। শুরুও নেই। সৃষ্টিশীল মানুষদের আড্ডা কখনো শেষ হয় না। শুরুও কি হয়? কে জানে! আড্ডা দিতে দিতেই অনেক মেঘ আর ঝড় মাথার উপর নিয়ে আমারা পৌঁছে যাই বরিশাল শহরের বইপাড়ায়। সেখান থেকে আমরা বিচ্ছিন্ন হতে থাকি। কারণ, নগর থেকে মহানগরের দিকে যাবো। মহানগরের নিয়ম বিচ্ছিন্নতা তৈরি করে দেওয়া। মনের বিচ্ছিন্নতা, দেখার বিচ্ছিন্নতা, আড্ডা-বন্ধুতা-হৃদয়ের বিচ্ছিন্নতা। মহানগরে আমরা কেউ কাউকে চিনি না। মহানগরে আমরা পুতুল আর রোবটের ভাষায় কথা বলি...।

চলবে...

আগের পর্বগুলো পড়তে ক্লিক করুন—

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || সপ্তম পর্ব

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || ষষ্ঠ পর্ব

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || পঞ্চম পর্ব

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || চতুর্থ পর্ব

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || তৃতীয় পর্ব

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || দ্বিতীয় পর্ব

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || প্রথম পর্ব

 

   
    
    
  

 

 

 

                             

 


    
 
 


             


 

           


 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।