দুপুর ০২:০১ ; মঙ্গলবার ;  ১৭ জুলাই, ২০১৮  

২০২৪ সাল পর্যন্ত কর অবকাশ তথ্যপ্রযুক্তিতে

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট॥

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর অবকাশ সুবিধা ২০১৯ সাল থেকে বাড়িয়ে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত করা হচ্ছে। ২০১৫-২০১৬ অর্থবছরের বাজেটে বিদ্যমান (২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত) কর অবকাশ সুবিধা বাড়ানোর ঘোষণা দিয়ে এ তথ্য জানান অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত।

এদিকে ইন্টারনেটের ওপর থেকে আগামী অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে ১৫ শতাংশ ভ্যাট (মূল্য সংযোজন কর) প্রত্যাহার করা হয়নি। এর ফলে তিন সংগঠনই (বিসিএস, বেসিস ও আইএসপিএবি) হতাশা প্রকাশ করেছে। সংগঠন তিনটির আশা ছিল ইন্টারনেটের ওপর থেকে পুরোপুরি না হলেও কিছু শতাংশ ভ্যাট প্রত্যাহার হবে। তবে ই-কমার্সের ওপর ৪ শতাংশ ভ্যাট আরোপের প্রস্তাব দেশে ই-কমার্সের প্রসারকে বাধাগ্রস্ত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে বাজেট বক্তৃতায় হাইটেক পার্ক বাংলা‌‌‌দেশে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিপুল সম্ভাবনা উন্মুক্ত করবে বলে মনে করেন অর্থমন্ত্রী। এ কারণে হাইটেক পার্কের ডেভেলপারদের বিদ্যুৎবিল এবং ডেভেলপার ও বিনিয়োগকারীদের যোগানদার সেবার ক্ষেত্রে বিদ্যমান মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট) মওকুফের প্রস্তাব করেছেন অর্থমন্ত্রী। 

একই সঙ্গে দেশের সৃজনশীল প্রোগ্রামারদের সৃজনশীলতাকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে তাদের উৎপাদিত সওফটওয়্যারের প্রতিরক্ষণকল্পে ডাটাবেজ, অপারেটিং সিস্টেম ও ডেভেলপমেন্ট টুলস ব্যতীত অন্যান্য কাস্টমাইজড সফটওয়্যারের আমদানিতে ৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব ক‌‌‌রেছেন অর্থমন্ত্রী।

এর ফলে দেশীয় সফটওয়্যারের বাজার বিকাশ লাভ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। দেশীয় সফটওয়্যার শিল্পের বিকাশের জন্য এই সিদ্ধান্ত আরও আগে নেওয়া উচিত ছিল বলে তারা মনে করছেন।

তথ্যপ্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ খাতের বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে আমদানিকৃত সব যন্ত্রাংশের মূল্য সংযোজন কর (মূসক) মওকুফের প্রস্তাব ক‌‌‌রেছেন অর্থমন্ত্রী। তথ্যপ্রযুক্তি অবকাঠামোর উন্নয়নে ব্যবহার্য্য পণ্য যেমন, গ্র্যান্ড মাস্টার ক্লক, মডিউলেটর, মাল্টিপ্লেক্সার, অপটিক্যাল ফাইবার প্ল্যাটফর্ম, নেটওয়ার্ক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (এনএমএস) ১৫ শতাংশ মূসক দিতে হতো। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের আবেদন ও সুপারিশের পরিপ্রেক্ষিতে এই মূসক প্রত্যাহারে প্রস্তাব করা হয়েছে।

এদিকে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ২১৩ কোটি টাকা। অন্যদিকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ২ হাজার ৩৭১ কোটি টাকা।

 

/এইচএএইচ/এফএ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।