রাত ১১:২৬ ; সোমবার ;  ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮  

যেসব পণ্যের দাম বাড়তে পারে

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট।।

আগামী অর্থবছরের (২০১৫-২০১৬) প্রস্তাবিত বাজেটে বিভিন্ন পণ্যের শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। এগুলোর মধ্যে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস যেমন- গুঁড়া মরিচ, ধনিয়া, আদা, হলুদ ও মশলার মূল্য ৩৫ থেকে ৪০ শতাংশ, আচার ৫০ থেকে ৬০ শতাংশ এবং সব ধরনের বিদ্যুৎসাশ্রয়ী বাতির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিদেশি এলসিডি/এলইডি টেলিভিশনের ওপর আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিদেশ থেকে আমদানি করা ফোর স্ট্রোক ইঞ্জিনের মোটরসাইকেলের ওপর আমদানি শুল্ক ৩০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

চায়ের দেশজ উৎপাদন সংরক্ষণের স্বার্থে চা আমদানিতে প্রযোজ্য ১৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক বৃদ্ধি করে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

মোবাইল সিম বা রিম কার্ডের মাধ্যমে প্রদত্ত সেবার ওপর সম্পূরক শুল্ক পাচ শতাংশ বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে নতুন মোবাইল সিম বা রিম কার্ডের শুল্ক হার ৩০০ টাকা থেকে কমিয়ে ১০০ টাকা করার প্রস্তাবও করা হয়েছে। সিম বা রিম কার্ড প্রতিস্থাপনের ওপর ১০০ টাকা শুল্ক হার অপরিবর্তিত রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাজেটে রড তৈরির উপাদান বিলেট আমদানিতে টনপ্রতি ২ হাজার টাকা করের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বিদেশ থেকে আমদানি করা মোটরগাড়ির টায়ারের ওপর সম্পূরক শুল্ক ২০ শতাংশ ধার্য করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে এ খাতে সম্পূরক শুল্ক কার্যকর নেই।

টু বা ফোর স্ট্রোকের অটোরিকশা বা থ্রি হুইলারের ইঞ্জিনের সম্পূরক শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

রিভলবার ও পিস্তলের সম্পূরক শুল্ক ১০০ শতাংশ থেকে ১৫০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।

সব ধরনের বৈদ্যুতিক পাখায় ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে ১০ শতাংশ আমদানি শুল্ক এবং ১৫ শতাংশ মূসক (মূল্য সংযোজন কর) নির্ধারণ রয়েছে।

চামড়া দিয়ে তৈরি জিনিসপত্রের ব্যবহার্য পলিশ ও ক্রিমসহ অন্যান্য কাঁচামালের আমদানি শুল্ক ১৫ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশ বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাজেটে বিদেশ থেকে আমদানি করা সিল্ক কাপড়ের ওপর ১৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক ও ৪৫ শতাংশ সম্পূরক শুল্ক আরোপ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাজেটে সোনা ও রূপা এবং সোনা ও রূপার দোকানদার এবং সোনা পাকা করার ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৩ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ এবং যোগানদার সেবার ক্ষেত্রে বিদ্যমান ৪ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ মূসক নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

ইমিটেশন জুয়েলারির ক্ষেত্রে সম্পূরক শুল্ক পাচ শতাংশ বাড়িয়ে ২০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটে সিগারেটের কর ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। বিড়ির ক্ষেত্রে ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকার প্যাকেটের ক্ষেত্রে ৬ দশমিক ১৪ টাকা থেকে বৃদ্ধি করে ৭ দশমিক ৬ টাকা এবং ফিল্টারযুক্ত ২০ শলাকার প্রতি প্যাকটে ৬ দশমিক ৯২ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭ দশমিক ৯৮ টাকা নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাজেটে আরও যেসব পণ্যের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে: মোড়ক বা টিনজাত মাছ, হিমায়িত চিংড়ি, মাখন ও অন্যান্য দুগ্ধজাত চর্বি ও তেল, তাজা বা ঠাণ্ডা টমোটো, তাজা বা শুকনা সুপারি, সালফিউরিক এসিড, পলিয়েস্টার বেইজড অন্যান্য পেইন্টস, ভার্নিশ (এনামেল, লেকার ও ডিসটেম্পারসহ), ফ্রেমহীন কাচের আয়না, অমসৃণ হীরা, কাস্ট আয়রনের তৈরি টিউব পাইপ ইত্যাদি।

এছাড়া আরও রয়েছে রান্নাঘরে ব্যবহৃত স্টেইনলেস স্টিল, রাথরুম ফিটিংস, ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড ব্যাটারি, ভিডিও রেকর্ডিং বা রিপ্রডিউসিং অ্যাপারেটাস (ম্যাগনেটিক, অপটিক্যাল অথবা সেমিকন্ডাক্টর মিডিয়া ব্যবহারকারী), পকেট সাইজ রেডিও ক্যাসেট প্লেয়ার, ইলেক্ট্রিক ব্যাটারিচালিত মোটর গাড়ি ইত্যাদি।

 

/ওএফ /এএইচ /

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।