দুপুর ০১:৫৯ ; রবিবার ;  ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৮  

অবশেষে বাজেট পেল শিশুরা

প্রকাশিত:

সম্পাদিত:

বাংলা ট্রিবিউন রিপোর্ট

সব জল্পনাকল্পনা দূর করে স্পষ্ট হলো শিশু বাজেটের বিষয়টি। গত বছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে পরীক্ষামূলকভাবে শিশু বাজেট উপস্থাপনের কথা বললেও এতে কী থাকবে এতে সে বিষয়ে কারোর জানা ছিলে না। এবারই প্রথমবারের মতো আলোর মুখ দেখেছে শিশু বাজেট। শিশুদের আর্থসামাজিক উন্নয়নের সঙ্গে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত এমন পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের শিশু সংশ্লিষ্ট ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে ‘শিশুদের নিয়ে বাজেট ভাবনা’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদনও প্রকাশ করা হয়েছে। যেখানে শিশু বাজেট ভাবনা এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে এর উপস্থাপন নিয়ে বিস্তারিত আলাপ স্থান পেয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় এ প্রতিবেদন নিয়ে বলতে গিয়ে জানান, শিশুদের চাহিদা পূরণ, অধিকার ও কল্যাণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত কর্মসূচি, উন্নয়ন প্রকল্প ও কার্যক্রমসমূহকে এখানে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।

অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘একটি পূর্ণাঙ্গ শিশু বাজেট প্রণয়ন করতে হলে সকল মন্ত্রণালয়াধীন শিশুকল্যাণ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমকে বিবেচনায় নিতে হবে। তবে সবার আগে প্রয়োজন এসব কার্যক্রম চিহ্নিতকরণ এবং তাদের প্রভাব মূল্যায়নের জন্য একটি উপযুক্ত কাঠামো প্রণয়ন। আমরা এই কাজটি পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করার আশা রাখি।’

শিশু বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সেন্টার ফর সার্ভিসেস অ্যান্ড ইনফরমেশন অন ডিজাবিলিটির প্রধান নির্বাহী খন্দকার জহুরুল আলম বলেন, এ ধরনের উদ্যোগের জন্য সরকারকে অবশ্যই ধন্যবাদ দেওয়া উচিৎ। আশা করছি বাজেটকে সমন্বিত করে এর বাস্তবায়ন খুবই কার্যকর হবে। তড়িৎ প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন, আমাদের দীর্ঘদিনে নানা দাবির মুখে এই বিষয়টি আমাদের সামনে হাজির হয়েছে এখন ধীরে সুস্থে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

এ ছাড়া বেতন কমিশনের সুপারিশের আলোকে সরকারি চাকরিজীবীরা ‘সমৃদ্ধি সোপান ব্যাংক’ নামে একটি বাণিজ্যিক ও উন্নয়ন ব্যাংক পেতে যাচ্ছেন। বাজেট বক্তৃতাকালে এ ব্যাংক স্থাপনের কথা জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। ব্যাংকটি হবে সরকারি চাকরিজীবীদের নিজস্ব মালিকানায় তফসিলি ব্যাংকের আদলে।একইসঙ্গে আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন স্কেল বাস্তবায়নের ঘোষণা দেন তিনি।


/ইউআই/এফএ/

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।