বিকাল ০৪:৩৩ ; বৃহস্পতিবার ;  ২১ নভেম্বর, ২০১৯  

সাঘাটায় যমুনার ভাঙনে গৃহহীন দু'শ পরিবার

প্রকাশিত:

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

বৃষ্টি ও ঢলে যমুনা নদীর পানি বেড়ে যাওয়ায় গত দুই সপ্তাহে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার ১০টি গ্রামের দুইশ' পরিবারের বসতভিটা ও আবাদী জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন আতঙ্কে দিশেহারা হয়ে পড়েছে নদীপাড়ের শত শত পরিবার। এছাড়া ভাঙনের মুখে পড়েছে গোবিন্দি গ্রামের ঈদগাঁহ মাঠ, একটি মসজিদ, একটি গুচ্ছ গ্রাম, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ঐতিহ্যবাহী ভরতখালী গো-হাট, কালিমন্দির, বেসরকারি সংস্থা এসকেএস ফাউন্ডেশনসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। ভাঙনের শিকার পরিবারগুলো অন্যের বাড়িতে এবং ওয়াপদা বাঁধে আশ্রয়ের খোঁজে ছুটছে।

সরেজমিন জানা যায়, গত দুই সপ্তাহে উপজেলা সদর সাঘাটা ইউনিয়নের গোবিন্দ, বাঁশহাটা, মুন্সিরহাট, সাথালিয়া, উত্তর সাথালিয়া, কামারপাড়াসহ ১০টি গ্রামে দুই'শ পরিবারের বসতভিটা ও আবাদী জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। এছাড়া ভাঙন ঝুঁকিতে রয়েছে ওইসব গ্রামের নদী তীরবর্তী এলাকার কমপক্ষে আরও এক হাজার পরিবার।

ভাঙনের শিকার গোবিন্দি গ্রামের ওমর হোসেন ও আকবর আলী জানান, গত এক বছরে তারা দু’বার নদী ভাঙনের শিকার হয়েছেন। এই ভাঙন ঠেকাতে গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ড উপজেলার কামারপাড়া থেকে গোবিন্দির ঈদগাঁহ মাঠ পর্যন্ত জিও ব্যাগ ফেলার জন্য কাজের টেন্ডার করেছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করেনি।

সাঘাটা ইউপি চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন সুইট জানান, ভাঙন ঠেকাতে অনেক আগেই টাকা বরাদ্দ এলেও পানি উন্নয়ন বোর্ডের গাফলতির কারণে আজও ভাঙন প্রতিরোধের কাজ শুরু হয়নি।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলী চন্দ্র শেখর জানান, গোবিন্দির ঈদগাঁহ মাঠসহ একশ' মিটার এলাকার ভাঙন প্রতিরোধের জন্য এরইমধ্যে এক কোটি ১৬ লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে। শিগগিরই ভাঙন প্রতিরোধে কাজ শুরু হবে।

/জেবি/বিএল/টিএন/


 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।