রাত ০৪:০৭ ; মঙ্গলবার ;  ১২ নভেম্বর, ২০১৯  

জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতির খোঁজে || কবির হুমায়ূন || প্রথম পর্ব

প্রকাশিত:

‘‘কিন্তু কিছুতেই জহর সেনমজুমদারকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অর্থাৎ তিনি ফোন ধরছেন না। ফোন ধরলেও কখনো বলছেন হাসপাতালে, কখনো বলছেন হাসপাতালের পথে, কখনো বলছেন ডাক্তারের সামনে ইত্যাদি। তিনি অনেক অসুস্থ। এদিকে আয়োজনও চূড়ান্ত।’’

শ্যাওলার মতোই জীবন। রোদে-জলে-বৃষ্টি-খরায় ঘষে-মেজে শেষতক জীবন শ্যাওলা হয়ে গেঁথে থাকে জীবনের সঙ্গে। এরে অবজ্ঞা করার কিছু নেই। আত্মীয়-পরিজন, বন্ধু-সহজন, কাছের মানুষ, দূরের মানুষ, পরিচিত-দূরপরিচিত, এই যে আমরা বিষাদে-নিষাদে, আনন্দ-বেদনায়, বিচ্ছেদ ও যন্ত্রণায়, কিংবা কখনো এই ভবচক্রে অবিশ্বাসে দূরে সরে যাই, ফের ফিরি বিশ্বাসের শ্যাওলা হয়েই। স্বার্থ কিংবা বাস্তবতা আমাদের দূরে ঠেলে দিয়ে বন্ধুর আর্তি ফের শ্যাওলা হয়ে একত্র করে দেয়। যোজন যোজন সময় পেরিয়ে আমরা শ্যাওলা হয়ে একে অন্যকে আঁকড়ে ধরি, নির্ভরতা খুঁজি, আনন্দ-কান্নায় শ্যাওলা হয়েই গড়াগড়ি যাই। লোভ-নিষ্ঠুরতা, বর্ণ-জাত-ধর্ম, গোষ্ঠিবদ্ধ মানুষকে দূর থেকে দূরে ঠেলে দিলেও, সীমান্ত ব্যারিকেড নির্মাণ করে দিলেও, ব্যক্তির আর্তি শ্যাওলা হয়ে বন্ধুকে জড়িয়ে দেয় বন্ধুর সঙ্গে। আত্মাকে জড়িয়ে দেয় শ্যাওলা হয়ে আত্মার সঙ্গে। আমরা কাঁদি-হাসি-হাহাকার চিৎকারে বন্ধুর কাঁধে-বুকে মাথা রাখি। স্মৃতি খুঁজি, জন্মের আগে ফেলে যাওয়া স্মৃতিও খুঁজি। দাগ খুঁজি। একটি উঠোন, ভাঙা দালান, মন্দিরের ধংসাবশেষ, প্রায় বিলিন হয়ে যাওয়া শ্যাওলা জড়ানো একটি পুকুরঘাট খুঁজি। ভাঙা দালানের সিঁড়িও খুঁজি, ভাঙা বাড়ির ছাদে কবেকার হাহাকার মিলিয়ে যাওয়া পূর্ণিমার জোছনা খুঁজি। বাগানের পথে হয়তো শুকিয়ে যাওয়া কুয়াশার মতো পূর্বপুরুষের পদছাপও খুঁজি। এই খোঁজা-খুঁজিতে নেপথ্যে জেমকন সাহিত্য পুরস্কার যে অনন্য ভূমিকা রেখে যাচ্ছে গত ১৫ বছর, তার খবর জেমকন সংশ্লিষ্টরাও হয়তো জানেন না। একজন জানেন। তিনি কবি শামীম রেজা। তার অসংখ্য পরিচয় রয়েছে। কিন্তু তাকে আমি কবি বলতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। কাগজ সাহিত্য পুরস্কার  হয়ে বর্তমান জেমকন সাহিত্য পুরস্কার-এর সঙ্গে যিনি জড়িয়ে আছেন আষ্টেপৃষ্ঠে।

দুই. 
গত ১০ এপ্রিল যে জেমকন সাহিত্য পুরস্কার  দেওয়া হয়েছে, এর আয়োজন নিয়ে গেলো ডিসেম্বর থেকেই কবি শামীম রেজা তার ভাবনার কথা বিভিন্ন সময় আমার সঙ্গে শেয়ার করেছেন। আয়োজন বললাম এ কারণে, ১০ এপ্রিল দুই ঘণ্টার আনুষ্ঠানিক বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে পুরস্কারপ্রাপ্তদের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়ার আগে অন্তত ছয় মাস ধরে এর নেপথ্যে চলতে থাকে খুঁটিনাটি নানান প্রক্রিয়া। যেহেতু প্রতি বছর বিচারক পরিবর্তন হন এবং এই পুরস্কারের সঙ্গে জড়িয়ে আছেন বাংলাদেশ এবং ভারতের প্রখ্যাত সাহিত্যিকগণ, তাই এই প্রক্রিয়াটিও অনেক জটিল। পুরস্কার যারা পান, তারা জানেনও না, কি কঠিন প্রক্রিয়া অতিক্রম করে তবেই তারা মনোনীত হন। নতুন নতুন বিচারকদের সঙ্গে পুরস্কার প্রদানের ৬ মাস আগে থেকেই চুক্তিতে যেতে হয়। জেমকনের প্রতিনিধি হয়ে কবি শামীম রেজাকে এসব দায়িত্ব সুচারুরূপে সমাধা করতে হয়। সেসব কথা থাক। জগৎ জুড়ে সন্মানিত সকল পুরস্কারের নেপথ্যেই এরকম হাজারও জটিলতা এবং প্রক্রিয়া বিদ্যমান।
জানতে পারছিলাম এবারকার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে কলকাতা থেকে আসবেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক দেবেশ রায় এবং রবিশংকর বল। আর কবি জহর সেনমজুমদার ও কবি অংশুমান কর। সাম্প্রতিক সাহিত্য আড্ডায় রবিশংকর বল অতি উচ্চারিত একটি নাম। বিশেষ করে দোজখনামা  এবং আয়নাজীবন  উপন্যাসের জন্য বাংলাদেশের পাঠক মহলে তিনি যথেষ্ট পরিচিত। কথা না হলেও এর আগেও তিনি দুবার বাংলাদেশে এসেছেন। দূর থেকে দেখেছি। কিন্তু কবি জহর সেনমজুমদার রীতিমত আমার স্বপ্নের মানুষ। কবিতামাতাল হওয়ার শুরুর দিনগুলো ১৯৯৬-৯৭ সাল থেকে তার কবিতার সঙ্গে আমার বন্ধুতা। তার কাব্যগ্রন্থ— বৃষ্টি ও আগুনের মিউজিকরুম  কতবার যে পড়েছি! ফটোকপি হয়ে আমাদের হাতে হাতে ঘুরেছে, ঘুরছে তার গবেষণাগ্রন্থ— জীবনানন্দ : অন্ধকারের চিত্রনাট্য । কলকাতার অন্য কবিদের মতো তার কাব্যগ্রন্থ বাংলাদেশে সহজলভ্য নয়। তারপরও আমাদের হাতে ঠিকই পৌঁছেছে— অগ্নিসমগ্র, প্রসবসমগ্র, অরূপসমগ্র, কিংবা বিপজ্জনক ব্রক্ষ্মবালিকা বিদ্যালয় । আর কবি শামীম রেজার সৌজন্যে পেয়ে যাই জহর সেনমজুমদারের— আমার কবিতা  সংগ্রহটিও। এইতো মার্চ মাসে যখন প্রথম বরিশাল ভ্রমণ করি কবি শামীম রেজার সঙ্গে, সারারাত স্টিমারের কেবিনে আমরা পড়েছি ‘আমার কবিতা’ সংগ্রহটি। সর্বশেষ জহর সেনমজুমদারের— ভবচক্র; ভাঙাসন্ধ্যাকালে কাব্যগ্রন্থটিও এখন ফটোকপি হয়ে আমাদের হাতে হাতে। যে কবিকে নিয়ে এতো উত্তেজনা তাকে কখনও চোখের দেখা দেখিনি; ক’বার কলকাতা যাবার পরও। তিনি কিংবদন্তির কবি, গবেষক এবং অধ্যাপক হয়ে আমার ধরাছোঁয়ার বাইরেই থেকে যান। যদিও তার গ্রন্থরাজি সব সময় আমার পাঠের সঙ্গি। জেমকন সাহিত্য পুরস্কার-এর অন্যতম বিচারক হিসেবে তিনি ঢাকায় আসবেন এ কথা কবি শামীম রেজা নিশ্চিত করার পর ভিতরে ভিতরে অনেক আনন্দিত হয়েছি। এ জন্য যে, এবার প্রিয় কবিকে দেখতে পাবো। নিশ্চয়ই কথা বলারও সুযোগ মিলবে।

তিন.
এপ্রিলের প্রথম সপ্তায় প্রতিদিন অসংখ্যবার ফোনে কথা হয় কবি শামীম রেজার সঙ্গে। তিনি প্রতিবারই কিছু না কিছু নতুন তথ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। জানালেন, দেবেশ রায়ের ভিসা হয়ে গেছে। রবিশংকর বলেরও ভিসা হয়ে গেছে। কিন্তু কিছুতেই জহর সেনমজুমদারকে আর খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। অর্থাৎ তিনি ফোন ধরছেন না। ফোন ধরলেও কখনো বলছেন হাসপাতালে, কখনো বলছেন হাসপাতালের পথে, কখনো বলছেন ডাক্তারের সামনে ইত্যাদি। তিনি অনেক অসুস্থ। এদিকে আয়োজনও চূড়ান্ত। শেষ মুহূর্তে যদি আসতে না পারেন তবে তার নেতিবাচক প্রভাব আয়োজনে পড়াই স্বাভাবিক। জহর সেনমজুমদার আর রবিশংকর বল ২৫ বছরের বন্ধু। এ কথা কবি শামীম রেজা জানতেন। তিনি শেষ চেষ্টা হিসেবে ঘণ্টায় ঘণ্টায় ফোন করতে থাকলেন রবিশংকর বলকে। বুঝাতে লাগলেন; যেভাবেই হোক জহর সেনকে আনতে হবে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে রবিশংকর বলও জানিয়ে দিলেন, সম্ভব নয়। প্রকৃত অর্থেই জহর সেনমজুমদার অনেক অসুস্থ। কিন্তু নেপথ্যে কলকাতায় ঘটতে থাকা ঘটনারাজি তখনো আমাদের জানার বাইরে। প্রতিদিন জহর সেন ডাক্তারের কাছে যাচ্ছেন আর বলছেন— আমাকে মোটামুটি প্রস্তুত করে দিন যেন বাংলাদেশ ঘুরে আসতে পারি। ডাক্তারও সেই চেষ্টাই করছিলেন। কোনোভাবে যদি কবির শরীরকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। 
জহর সেনমজুমদার কখনো বাংলাদেশে আসেননি। তার জন্ম ১৯৬০-এর ২৬ ফেব্রুয়ারি। আশ্চর্য, জন্মের পর ৫৫ বছর কেটে গেলেও তার বাংলাদেশে আসা হয়নি একটি বারের জন্যও। অথচ এই বাংলাদেশই তার পূর্বপুরুষের আদি নিবাস। কিন্তু কবিতায় ঠিকই লিখেছেন—

প্রেমিকের প্রেম যায়; শ্রাবণের ঢেউ যায়; চারিদিকে স্মৃতিদীর্ণ বটবৃক্ষ ঝুরি
উড়ে আসে পূর্ববঙ্গ, উড়ে আসে ছক্কাপাঞ্জা, রক্তমাখা প্রিয়তম ঘুড়ি

কিংবা— 

লেখাগুলি অতি শান্ত; যাবতীয় ক্রিয়াকর্মশেষে 
ভেসে ওঠে, ডুবে যায়, এই মৃত দেশে
অগ্নিদগ্ধ উন্মাদিনী যেন ঐশী খুঁজে
মহাশূন্যে উড়ে যায়; শুধু চক্ষু বুজে
আমি তার অতি ভক্ত; গৃহ থেকে চাঁদে
ধানসিড়ি পড়ে আছে ভবচক্রফাঁদে

কবি অবশ্য নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে লিখেছেন— ‘‘জহর সেনমজুমদার। জন্ম ২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৬০, এই ভবচক্রে সতত ভ্রাম্যমাণ; গ্রামে জন্ম, সেইখানে ইছামতীর জলে, ছোটো বড় বনে জঙ্গলে লাল লাল রাস্তায়, গরু গাভী জাম জামরুল কান্না কামরাঙায়, অদ্ভুত এক বাল্যকাল, সতত আবিষ্কৃত, সাধুসন্ন্যাসীদের পিছু পিছু ব্যোম ব্যোম মহাব্যোম, ইসকুল পালানো নিঝুম দুপুর কী যেন এক সন্মোহন, কী যেন এক আকর্ষণ, আর মাঝে মাঝে স্তরীভূত, প্রস্তুরীভূত, একা নিঃসঙ্গ ভাবুক।’’
এর থেকে পরিষ্কার কিছু খুঁজে বের করা কষ্টসাধ্য। বন্ধু এবং অধ্যাপক মুহম্মদ মুহসিনের তৈরি করা পরিচিতি থেকে জানা যায়, জহর সেনমজুমদার- কবি, প্রবন্ধকার ও বাংলা সাহিত্যের অধ্যাপক। জন্ম ১৯৬০। আদি নিবাস বরিশাল জেলার উজিরপুর থানার শোলক গ্রামের ঐতিহ্যবাহী মজুমদার পরিবারে। পিতা জগদীশ সেন। পিতামহ হরশঙ্কর সেনমজুমদার। কলকাতা রিপন কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক তিনি। একই সঙ্গে খণ্ডকালীন অধ্যাপনা করেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় ও কলকাতা আলীয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে। মুহম্মদ মুহসিন আরো লেখেন— দুই বাংলায় গবেষক ও প্রবন্ধকার হিসেবে তার খ্যাতি অসামান্য। কবি হিসেবেও তিনি অসাধারণ। তার প্রবন্ধ ও গবেষণাগ্রন্থসমূহ দুই বাংলার বিশ্ববিদ্যালয়সমূহে ছাত্রশিক্ষকদের মুখে মুখে। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে আমি কবি জহর সেনমজুমদারের জন্য প্রবল আগ্রহে আছি।

চার.
জহর সেনমজুমদার আবার নেটওয়ার্কের আওতায় এলেন। বিমানের টিকিট আগেই পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু টিকিট দিয়ে কি হবে? মধ্যরাতে মোবাইল ফোনের টেক্সমেসেজে রেজা লিখলেন— জহর দা আসছেন। খবরটা শুনে মনটা ফের ভরে উঠলো। তখনো ভিসা হয়নি। ভিসার জন্য দূতাবাসে যেতেও পারেননি কবি। রবিশংকর বল সব ধরণের উৎসাহ উদ্দীপনা দিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু কবিকে তো দূতাবাসে ভিসার জন্য যেতে হবে। অবশেষে নির্ধারিত সময় পার করে কবি দূতাবাসে ভিসার জন্য গেলেন ৮ এপ্রিল। কবি শামীম রেজা বাংলাদেশে বসে প্রতিমুহূর্ত মনিটরিং করছেন। কলকাতায় বাংলাদেশ দূতাবাস, ঢাকায় পররাষ্ট্রমন্ত্রণালয়, রবিশংকর বল, জহর সেনমজুমদার। প্রতি মিনিটে ফোন। এই হৈ হৈ উত্তেজনায় যুক্ত হলেন আমাদের আরেক বন্ধু লোক সম্পাদক অনিকেত শামীম। অবশেষে সবার সন্মিলিত প্রচেষ্টায় কবি জহর সেনমজুমদার বাংলাদেশে আসার ভিসা সংগ্রহ করতে পারলেন ৮ এপ্রিল সন্ধ্যায়। ৯ এপ্রিল ভোরে ঢাকায় আসবেন দেবেশ রায়, রবিশংকর বল এবং প্রিয় কবি জহর সেনমজুমদার।
মধ্যরাতে অনুজ কবিবন্ধু জাহিদ সোহাগ ফোনে জানতে চাইলেন ভোরে এয়ারপোর্ট যাবো কি-না। বললাম, যেতে পারবো না। তবে অবশ্যই হোটেলে যাবো। প্রিয় কবিকে দেখতে পাবো, এই উত্তেজনায় থাকি। হিসেব মতো সকাল ১০টার মধ্যে হোটেলে পৌঁছার কথা। সাড়ে এগারটার দিকে কবি শামীম রেজাকে ফোন করে জানতে পারলাম তারা তখনো রাস্তায়। মনে করলাম কোনো কারণে বিমান দেরি করেছে। দু’চার কথা বলেই রেজা ফোন ধরিয়ে দিলেন প্রিয় কবি জহর সেনমজুমদারকে। নিতান্তই সৌজন্য কথাবার্তা। তার মধ্যেও জানতে চাইলেন কেন এয়ারপোর্ট গেলাম না? কখন আসছি হোটেলে? আসলে হোটেল নয়, অতিথিদের রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে ঢাকা ক্লাবে। বললাম যতো তাড়াতাড়ি সম্ভব আসছি। ফোন রেখে দ্রুত প্রস্তুত হয়ে ঢাকা ক্লাবের পথে রওয়ানা হলাম। কিন্তু ঢাকার সব সড়ক সেদিন স্তব্ধ হয়ে পড়েছিলো। দীর্ঘ তিন মাস অবরোধ-হরতাল শেষে ওইদিনই রাজধানীর মানুষ মুক্তি পেয়ে রাস্তায় বেরিয়ে এসেছিলো; ধানমণ্ডি শংকর থেকে ঢাকা ক্লাবে পৌঁছাতে আড়াই ঘণ্টা সময় লেগে যায়। ঢাকা ক্লাবের ৩০৪ নম্বর রুমে পৌঁছালে কবি শামীম রেজা পরিচয় করিয়ে দেন— জহর দা এই হলো কবির হুমায়ূন। কবি জহর সেনমজুমদার এগিয়ে এসে আমাকে বুকে জড়িয়ে ধরলেন...। (চলবে)

.............

বি. দ্র. এই লেখা প্রতি বৃহস্পতিবার আপলোড করা হবে।  
          

 

 

 

 

 

 

 

 

***বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত কোনও সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ। অনুমতি ছাড়া ব্যবহার করলে কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।